নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে তথ্য জানতে চাওয়ায় খুলনা প্রতিদিন-এর সম্পাদক ও প্রকাশক সোহাগ দেওয়ানের প্রতি ক্ষিপ্ত হন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মিজানুর রহমান। ঘটনাস্থলে উত্তেজিত হয়ে তিনি সাংবাদিকের ওপর হুমকি ও অপমানজনক আচরণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২৬ মে) দুপুরে। সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ান হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহ, চিকিৎসা সেবার মান এবং সেবাখাতে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তথ্য সংগ্রহে গেলে সহকারী পরিচালক উত্তেজিত হয়ে চিৎকার করে বলেন, “ঐ… ক্যামেরা বন্ধ করেন! সবাইরে ডাক দাও…”। এরপর তিনি কর্মচারীদের নির্দেশ দেন সাংবাদিককে ঘিরে ধরতে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোহাগ শান্তভাবে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে প্রশ্ন করছিলেন। কিন্তু ডা. মিজানুর রহমান তাঁর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে উল্টো উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এই আচরণে রোগী ও স্বজনদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা দেয়।গখ
সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ান বলেন, “আমি ডা. মিজানুর রহমানের অনুমতি নিয়েই তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম। অথচ তিনি তথ্য না দিয়ে উল্টো আমার পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়েছেন এবং হুমকির মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করেছেন।”
এ ঘটনায় খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, “একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন আচরণ দুঃখজনক। এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ এবং মুক্ত গণমাধ্যমের উপর সরাসরি আঘাত।” তারা দ্রুত তদন্ত করে দোষী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাটি আমি শোনার পর সাংবাদিক ও ডা: মিজানুর রহমানকে ডেকে মীমাংসা করে দিয়েছি। সাংবাদিকদের সাথে এমন আচরণ শোভনীয় নয়।
আইন উপদেষ্টাঃ অ্যাডভোকেট জাকিয়া মিম চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ মামুন হাচান। মফস্বল সম্পাদক: শেখ মাহাবুব আলম। প্রধান উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান। অস্থায়ী অফিস: মুজগুন্নি খালিশপুর খুলনা। যোগাযোগ: 01728-060690, ইমেইল: naragatirsangbad@gmail.com ( গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ম মেনে বস্তু নিষ্ঠ তথ্য ভিত্তিক সংবাদ প্রচার করতে আমরা বদ্ধ পরিকর )।
Copyright © 2026 নড়াগাতীর সংবাদ. All rights reserved.