খুলনা প্রতিনিধি
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) আয়োজিত ‘আগামীর খুলনা বিনির্মাণে কেডিএ ও জনগণের ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার ব্যানারে জামায়াতে ইসলামীর দুই সংসদ সদস্যের নাম না থাকায় অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেডিএর বিরুদ্ধে দলীয়করণ ও দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলেছে জামায়াত।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, গত ১২ জুন সরকার খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনাকে কেডিএর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়। খুলনার উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন মহলের মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুলের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।
কেডিএর প্রধান কার্যালয় খুলনা-২ আসনের সোনাডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত। ওই আসনের সংসদ সদস্য খুলনা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল। অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে খুলনার ছয়জন সংসদ সদস্যের নাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উল্লেখ থাকলেও মূল অনুষ্ঠানের ব্যানারে বিএনপির চারজন সংসদ সদস্যের নাম থাকলেও জামায়াতের খুলনা-২ ও খুলনা-৬ আসনের দুই সংসদ সদস্যের নাম ছিল না।
সভা বর্জন করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় খুলনা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “এটি নির্লজ্জ দলীয়করণের উদাহরণ। যে আসনে অনুষ্ঠান, সেই আসনের সংসদ সদস্যের নামই ব্যানারে নেই। খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্যের নামও বাদ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানানো হলেও দীর্ঘ সময় ব্যানার সংশোধন না করায় আমরা সভা বর্জন করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “খুলনার উন্নয়নে আমরা আন্তরিক। সংসদে আমাদের সংসদ সদস্যরা নিয়মিত এলাকার উন্নয়নের বিষয়গুলো তুলে ধরছেন। প্রথমে আমন্ত্রণপত্রেও তাদের নাম ছিল না। প্রতিবাদের পর সেটি সংশোধন করা হলেও ব্যানারে আবারও নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।”
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা মহানগর সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজি বলেন, “খুলনার সব সংসদ সদস্যের নাম থাকার কথা থাকলেও খুলনা-২ ও খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্যদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি চরম দলীয়করণের বহিঃপ্রকাশ। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
অভিযোগের বিষয়ে কেডিএ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা বলেন, “কেডিএর কর্মকর্তাদের অনিচ্ছাকৃত ভুলে দুই সংসদ সদস্যের নাম বাদ পড়েছিল। বিষয়টি জানার পর আমি তা সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছি। তবে পরে তারা আর অনুষ্ঠানে ফিরে আসেননি।”
ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
NGS/MMH
আইন উপদেষ্টাঃ অ্যাডভোকেট জাকিয়া মিম চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ মামুন হাচান। মফস্বল সম্পাদক: শেখ মাহাবুব আলম। প্রধান উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান। অস্থায়ী অফিস: মুজগুন্নি খালিশপুর খুলনা। যোগাযোগ: 01728-060690, ইমেইল: naragatirsangbad@gmail.com ( গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ম মেনে বস্তু নিষ্ঠ তথ্য ভিত্তিক সংবাদ প্রচার করতে আমরা বদ্ধ পরিকর )।
Copyright © 2026 নড়াগাতীর সংবাদ. All rights reserved.