1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন পুনঃস্থাপনে বৈষম্য দূর করার দাবি

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

খুলনা ব্যুরো

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের পেনশন পুনঃস্থাপন সংক্রান্ত বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের প্রজ্ঞাপনকে ‘অমানবিক’ আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে বাতিলের আহ্বান জানান।

লিখিত বক্তব্যে মাকছুদা ফিরোজ, মৃত মো. ফিরোজ মুন্সীর স্ত্রী, বলেন—”আমার স্বামী সোনালী ব্যাংক লিমিটেড খুলনা কর্পোরেট শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার ছিলেন। তিনি ২০১০ সালের জানুয়ারিতে অবসর নেন এবং আর্থিক সংকটে পড়ে শতভাগ পেনশন বিক্রি করেন। কিন্তু ২০১৯ সালে তাঁর মৃত্যু হলে সরকারের জারি করা নতুন প্রজ্ঞাপনের কারণে আমরা পুনঃস্থাপিত পেনশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হই। এখন আমি ও আমার দুই মেয়ে চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছি।”

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়—শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীরা অবসরের ১৫ বছর পর পুনঃস্থাপিত পেনশন পাবেন এবং তাদের মৃত্যুর পর স্ত্রী/স্বামী ও প্রতিবন্ধী সন্তানরাও এ সুবিধা ভোগ করবেন। কিন্তু মাত্র এক বছর পর, ২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর জারি হওয়া নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যদি অবসরের পর ১৫ বছর বেঁচে না থাকেন তবে তাঁর স্ত্রী/স্বামী পুনঃস্থাপিত পেনশন সুবিধা পাবেন না। এর ফলে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মাকছুদা ফিরোজ অভিযোগ করেন, “এমন বৈষম্যমূলক নীতির কারণে আমাদের মতো অসংখ্য পরিবার আজ দিশেহারা। সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, অনেক পরিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার জোগাড় করতেও হিমশিম খাচ্ছে।”

তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার কাছে আবেদন জানান—অমানবিক এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পেনশন পুনঃস্থাপনের আওতায় আনা হোক।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অবসরের পর অধিকাংশ পরিবার পেনশনের ওপর নির্ভরশীল। প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে পরিবার সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়ে। অথচ ২০১৯ সালের প্রজ্ঞাপন সেই পরিবারগুলোর সর্বশেষ ভরসাটুকুও কেড়ে নিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের শেষে ভুক্তভোগীরা মানবিক বিবেচনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park