
মো. মামুন মোল্লা খুলনা
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও খুলনা-৩ আসনে দলীয় (হাতপাখা) সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেছেন, “১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পরও এ দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। বিগত ৫৩ বছরে যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেছে, তারা শাসনের নামে জনগণকে শোষণ করেছে। নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে তারা বারবার দেশকে বিদেশি প্রভুদের কাছে বিকিয়ে দিয়েছে, দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেছে। সাম্প্রতিক ফ্যাসিবাদী সরকার দেশকে নিজেদের সম্পত্তি মনে করে জনগণের মতের বিরুদ্ধে শাসন চালিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “২৪ সালের গণবিপ্লবের পর আমাদের সামনে নতুন করে দেশ পুনর্গঠনের সুযোগ এসেছে। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে পারি, তবে দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার সুফল ভোগ করবে। এজন্য আলেম-ওলামা ও সমাজের বিশিষ্টজনদের সম্মুখ সারিতে এগিয়ে আসতে হবে।” গত সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় খুলনার ফুলবাড়ীগেট বাসস্ট্যান্ডস্থ আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খানজাহান আলী থানা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ওলামা ও সূধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খানজাহান আলী থানা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাসুম সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি ও খুলনা-২ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ মুফতি আমানুল্লাহ এবং জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ খুলনা মহানগর সভাপতি বিশিষ্ট আলেম মুফতি গোলামুর রহমান। সম্মেলন পরিচালনা করেন থানা শাখার যুগ্ম সম্পাদক ও ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি মো. নাজিম হাওলাদার নাঈম।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সহসভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মো. জামাল হোসেন বিশ্বাস, সেক্রেটারি মাস্টার মঈন উদ্দিন ভূঁইয়া, উপদেষ্টা মুফতি হুমায়ুন কবির হুসাইনী, মুফতি হাবিবুল্লাহ, শেখ মো. জামিল আহমাদ, মো. মোশাররফ হোসেন তালুকদার, কাজী আব্দুল মাজেদ, আলহাজ আবুল খায়ের, মো. মোস্তফা হোসেন, মো. আব্দুর রহিম হাওলাদার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের থানা সভাপতি মুফতি মানসুরুল রহমান, ফুলবাড়ীগেট বাজার বণিক সমিতির প্রচার সম্পাদক মো. আব্বাস তালুকদার, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নগর সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাবিবুল্লাহ মিসবাহ, থানা শাখার নেতা মাওলানা হারুন অর রশীদ, মো. এস্কেন্দার আলী, মাওলানা আব্দুল আজিজ, ক্বারী মোহিদুল ইসলাম, হাফেজ রফিকুল ইসলাম, মুফতি জসিম উদ্দিন, মো. কাবিল হোসেন, মো. আরমান হোসেন, মো. হেদায়েত উল্লাহ, মো. সেলিম রেজা, মো. মনিরুল ইসলাম মনি, মাওলানা রাশেদুল ইসলাম, মো. সাকিব হোসেন, মো. কামরুল হুদা চৌধুরী, মো. আব্দুল হালিম, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. হাবিবুর রহমান, কেসিসি ২ নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি মো. আমির হোসেন, থানা শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি মো. ওহিদুল ফকির, সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস হোসেন সুজন, যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব ইবনে রফিক, যুব নেতা দাউদ মোল্লা ইমন, সাইফুল ইসলাম বাপ্পি, ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি হাফেজ মো. শাহজালাল, মো. ইউসুফ বিল্লাহ, মো. সাব্বিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।