
মনির খান স্টাফ রিপোর্টার
লোহাগড়ায় নায়েব ইউনূস, বাস করেন পাঁচতলা ফাউন্ডেশনের এক তলায় ২৫০০ বর্গফুট বিলাসবহুল বিল্ডিং এর শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ফ্লাটে। যার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকার ও উর্ধ্বে। লোহাগড়া পৌরসভার ৫৫০ নম্বর খতিয়ানে ৫২ শতক জমি নিয়ে আদালতে এক ভুক্তভোগীর সাথে মামলা চলমান রয়েছে, যায় মামলা নং ৪৯।
অভিযোগ উঠেছে এই চাকরি করেই সম্পদের পাহাড় গড়েছেন নায়েব ইউনুস শেখ। আয়ের সাথে সম্পদের এমন নজিরবিহীন বৈষম্য থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীদের কাছে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু তিনি। এমন দুর্নীতিগ্রস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বর্তমানে লোহাগড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, বিগত দিনে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এক নেতার ছত্রছায়ায় থেকে লোহাগড়ার অসংখ্য সংখ্যালঘু সহ ভুক্তভোগীদের সম্পত্তি অবৈধভাবে নিজের ক্ষমতা বলে নিজের ও আত্মীয়-স্বজনের নামে করে নিয়েছেন।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, এই ভূমি কর্মকর্তা নায়েব ইউনুস শেখ, তিনি ভূমি অফিসের বালাম বইয়ের পৃষ্ঠা টাকার বিনিময়ে গায়েবেরও অভিযোগ রয়েছে। জমি জমার খাজনা, দাখিলা, নামজারি, পর্চা বানিয়ে দিয়ে কাড়ি কাড়ি ঘুষের টাকা নিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। জয়পুর মৌজায় প্রধান সড়কের পাশে রয়েছে ৩৫ শতক জমি, নারান্দিয়া মৌজায় রেল স্টেশনের পাশে রয়েছে ৪১ শতক জমি। যার বাজার মূল্য বর্তমানে নয় কোটি টাকার মতো। লোহাগড়া বাজারে নিজের মেয়ে জামাইদের দুইটি দোকান করে দিয়েছেন যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা।
এছাড়াও উপজেলার মানিকগঞ্জ বাজারে নিজের নামে রয়েছে একটি দোকান। নড়াইল শহরে রয়েছে স্ত্রীর নামে বিলাসবহুল জমি সহ বাড়ি। সবকিছুই করেছেন সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে। এলাকার সর্বসাধারণের দাবি এই ভূমিদস্যু ঘুষখোর, পর অর্থ লোভী নায়েব ইউনুস শেখ লোহাগড়া ইউনিয়ন, জয়পুর ইউনিয়ন ও লক্ষীপাশা ভূমি অফিসে যেন যোগদান না করিতে পারে তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ঊর্ধ্বতন ও কর্মকর্তাদের কাছে, ভুক্তভোগীরা।