
৭ এপ্রিল ২০২৫
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলের বর্বর হামলা ও গণহত্যা বন্ধে শুধু সামাজিক আন্দোলন বা পণ্য বর্জনই যথেষ্ট নয় — এখন সময় এসেছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপের। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ এবং মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর শক্তিশালী ভূমিকা আজ সময়ের দাবি।
গাজায় নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩২ হাজার
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ছয় মাসে গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৩২ হাজারেরও বেশি নারী-শিশু-নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। আহত হয়েছে লক্ষাধিক। ধ্বংস হয়েছে হাসপাতাল, স্কুল, ঘর-বাড়ি, রাস্তা-বিদ্যুৎসহ সমস্ত অবকাঠামো।
মুসলিম বিশ্ব কেন নিরব?
বিশ্লেষকরা বলছেন, মুসলিম বিশ্বের শত কোটি মানুষ যখন ক্ষোভে ফুঁসছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ সরকার নীরব দর্শকের ভূমিকায়।
বিশেষজ্ঞ মতামত বলছে,
“মুসলিম দেশগুলো যদি তেল, গ্যাস, অর্থনৈতিক চাপ কিংবা কূটনৈতিকভাবে ইসরাইল-সমর্থকদের মোকাবেলা করতো, তাহলে পরিস্থিতি বদলে যেত।”
কি করা যেতে পারে?
বিশ্ববাসীর পক্ষে কিছু কার্যকর উদ্যোগ হতে পারে —
মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ কূটনৈতিক চাপ
আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার মামলা
বিশ্বব্যাপী ইসরাইলি পণ্য বর্জন
সোশ্যাল মিডিয়ায় সচেতনতা বৃদ্ধির অভিযান
ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তা পাঠানো
মানবাধিকার সংগঠনের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি
বিশ্বের মুসলিম যুবকদের তথ্যযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ
বাংলাদেশের জনগণের অভূতপূর্ব সংহতি
বাংলাদেশের জনগণ এ পরিস্থিতিতে অভাবনীয় সংহতি প্রকাশ করেছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ, মানববন্ধন, দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে ব্যাপক প্রচারণা।
এ বিষয়ে মানবাধিকার সংগঠনের এক নেতা বলেন,
“ফিলিস্তিনের জন্য বাংলাদেশের মানুষ যা করছে, তা নিঃসন্দেহে ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।”
মানবতার জয় হোক, বর্বরতার পরাজয় হোক
বিশ্ববাসীর আজ একটাই দাবি —
ইসরাইলের নির্মম গণহত্যা বন্ধ হোক।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
মানবতার জয় হোক, বর্বরতার পরাজয় হোক।