1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

কালিয়ায় পৌর মেয়রের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের নিকট অনাস্থা দিলেন ১০ কাউন্সিলর

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০২৪
  • ২১২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

নড়াইলের কালিয়া পৌর মেয়রের দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতা অপব্যবহারের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের নিকট অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন দশ কাউন্সিলর। ২৬ জুন (বুধবার) সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন তারা।

অভিযোগে বলা হয়েছে- বাংলা ১৪৩১ সনে হাট বাজার ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে কালিয়া ভ্যান হাট ইজারায় দুটি দরপত্র দাখিল করা হয়। একটি দরপত্রে মোঃ আছাবুর রহমান ইজারা মূল্য দেন-২,৪৫,০০০/= টাকা। অপর দরপত্রটি দাখিল করেন মৃত্যুঞ্জয় সূত্রধর তিনি ইজারা মূল্য দেন-২,২০,৫০০/= টাকা। ইজারা বন্দবস্ত কমিটি আছাবুর রহমান (সর্বচ্চ দরদাতা) কে উক্ত ভ্যান হাট ইজারা দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। কিন্তু মেয়র ইজারা বন্দবস্ত কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে (দ্বিতীয় সর্বচ্চ দরদাতা) মৃত্যুঞ্জয় সূত্রধর কে ইজারা বন্দবস্ত প্রদান করায় সরকারী রাজস্ব আদায় কম হয়েছে।

বাংলা ১৪৩১ সনে ১৬টি গ্রুপে হাট বাজার ইজারা বন্দবস্ত দেওয়ার জন্য মেয়র দরপত্র আহবান করেন। ইজারাদারবৃন্দ ১টি গ্রুপে দরপত্র দাখিল করলেও বাকী ৭টি গ্রুপে কোন দরপত্র দাখিল করেননি, যে কারণে মেয়র হাট বাজারের ৭টি গ্রুপ খাস বলিয়া ঘোষনা করেন। উক্ত ৭টি গ্রুপ খাস প্রদানের কমিটি না করে কোন সরকারী নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজে ব্যক্তিগত ভাবে নিজের পছন্দের লোক দিয়ে খাস আদায় করে পৌরসভায় জমা প্রদান না করে নিজে আত্মসাৎ করতেছেন।

এছাড়া বিগত বাংলা ১৪২৮ সনে ৬,৫৭,৫০০/= টাকা, ১৪২৮ সনে ৪৪,৫০১/= টাকা, ১৪৩০ সনে ১৩,৬৫,৬০০= টাকাসহ সর্ব মোট- ২০,৬৭,৬০১/= টাকা পৌরসভায় জমা না দিয়ে ইজাদারদের নিকট হতে নিজে গ্রহন করে আত্মসাৎ করেছেন।পৌরসভার দুটি রোলার পৌরসভার পার্শ্ববর্তী এলাকা যেমন-নড়াইল সদর, লোহাগড়া, গোপালগঞ্জ, তেরখাদা ইত্যাদি এলাকায় মেয়রের নির্দেশে বছরের পর বছর ভাড়া খাটলেও একটি টাকাও পৌরসভায় জমা হয়নি এবং দুটি ট্রাক পৌরসভার কাজে না লাগিয়ে বছরের পর বছর মাসিক চুক্তিতে ভাড়া প্রদান নিজে খেয়ে পৌরসভাকে বঞ্চিত করছেন।

পৌরসভা পরিচালনা ইনের ধারা ৪৬ লঙ্ঘন করে মেয়র পৌরসভার স্থাবর সম্পত্তি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অতি গোপনে মোটা টাকার বিনিময়ে বন্দবস্ত প্রদান করেন।এতে পৌরসভা রাজস্বসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পৌরসভার স্বার্থ বিরোধী নানা অনিয়মের তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি এবং ওই মেয়রের অধীনে যাবতীয় মিটিং বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park