1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার বড়দিয়া বাজারে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন ইউএনওর, ১৬ ব্যবসায়ীকে সহায়তা ও জিওব্যাগ ফেলার নির্দেশ

কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও পুলিশের দায়িত্ববোধ: 

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৩০০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দিন দিন বেড়ে চলেছে, যা বিশেষভাবে শহরাঞ্চলে এক অনাকাঙ্ক্ষিত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় এই গ্যাংয়ের কর্মকাণ্ড যেন প্রতিদিনই নতুন এক আতঙ্কের জন্ম দিচ্ছে। খুলনা শহরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাই, ছুরিকাঘাত এবং অন্যান্য সহিংসতার ঘটনা যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে কিছু নিষ্পাপ জীবন ঝরে যাচ্ছে এবং পুরো সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কিশোর গ্যাংয়ের এই উত্থান একদিকে সমাজের দুর্বলতার প্রমাণ, অন্যদিকে পুলিশের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবও এর পেছনে অন্যতম কারণ। যখন পুলিশ বাহিনী যথাযথ নজরদারি ও ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তখন অপরাধীরা আরও সাহসী হয়ে ওঠে। খুলনার মতো বিভাগে সঠিক টহল ব্যবস্থা না থাকলে, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

অন্যদিকে, পুলিশের দায়িত্ববোধ এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রম বন্ধ করতে হলে পুলিশের টহল জোরদার করা অত্যাবশ্যক। বিশেষত, শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও বাসস্ট্যান্ডগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো উচিত। তাছাড়া, ছিনতাই, হামলা বা ছুরিকাঘাতের মতো ঘটনার দ্রুত প্রতিকার ও অপরাধীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা হলে, অপরাধের মাত্রা কমানো সম্ভব হবে।

তবে শুধুমাত্র পুলিশ বাহিনীর ওপর দায়ভার না রেখে, সামাজিক সচেতনতা এবং পরিবারের দিকনির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ। অভিভাবকদের উচিত তাদের সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালিত করা, যাতে তারা কিশোর গ্যাংয়ের হাত থেকে রক্ষা পায়। তাছাড়া, স্কুল-কলেজে এসব বিষয় নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা, যাতে তরুণদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা কমে আসে।

বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করা এবং খোলামেলা সমাজে অপরাধ দমন করার জন্য সরকারের আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সঠিক আইন প্রয়োগ এবং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সম্ভবত এই গ্যাং কালচার রোধে সহায়ক হবে।

এছাড়া, খুলনা বিভাগে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার মাধ্যমে সাধারণ জনগণের বিশ্বাস পুনঃস্থাপন করা যেতে পারে, যাতে তারা পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি আরও আস্থা রাখতে পারে।

মোঃ মামুন হাচান

কো-অর্ডিনেটর- সাউথ এশিয়ান ক্রাইম ওয়াচ সোসাইটি। অপরাধ পর্যবেক্ষণ ও মানবাধিকার সংস্থা।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park