1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার বড়দিয়া বাজারে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন ইউএনওর, ১৬ ব্যবসায়ীকে সহায়তা ও জিওব্যাগ ফেলার নির্দেশ

কুয়েটের রোকেয়া হলে তৃতীয় বর্ষেও গণরুমে শিক্ষার্থীরা, সংকটে পড়াশোনা

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

কুয়েট প্রতিনিধি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) নারী শিক্ষার্থীদের একমাত্র আবাসিক হল বেগম রোকেয়া হলে তীব্র আবাসন সংকটে ভোগান্তিতে রয়েছেন শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ। পর্যাপ্ত আবাসিক কক্ষ না থাকায় তৃতীয় বর্ষে উঠেও অনেক শিক্ষার্থীকে গণরুমে থাকতে হচ্ছে। আবাসন সংকট মোকাবিলায় কমনরুম, টিভি রুম ও পুরোনো রিডিং রুমকেও থাকার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আবাসন সংকটের পাশাপাশি কক্ষে পড়ার টেবিলের স্বল্পতা, দুর্বল ওয়াই-ফাই, অপর্যাপ্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মশার উপদ্রব এবং বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতাসহ নানা সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন তাঁরা। এতে হলের স্বাভাবিক পরিবেশে পড়াশোনা ও দৈনন্দিন জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।

একাধিক শিক্ষার্থী জানান, রোকেয়া হলে পর্যাপ্ত আবাসিক কক্ষ না থাকায় বড় পরিসরের গণরুমে একসঙ্গে অনেক শিক্ষার্থীকে থাকতে হচ্ছে। জায়গার সংকটের কারণে এসব কক্ষে প্রয়োজনীয় পড়ার টেবিল রাখাও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে আবাসিক সুবিধা পেলেও পড়াশোনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ পাচ্ছেন না অনেক শিক্ষার্থী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “হলের আবাসন সংকট এতটাই প্রকট যে টিভি রুম, কমনরুম ও নামাজের কক্ষও শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য ব্যবহার করতে হচ্ছে। এসব জায়গায় অনেক শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে থাকার কারণে পড়াশোনার পরিবেশ স্বাভাবিক থাকছে না। তৃতীয় বর্ষে এসেও শিক্ষার্থীদের গণরুমে থাকতে হচ্ছে।”

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, নারী শিক্ষার্থীদের তুলনায় হলে থাকার জায়গা পর্যাপ্ত নয়। তাঁর অভিযোগ, নতুন ছাত্রী হল নির্মাণের কাজও ধীরগতিতে চলছে। ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থী না থাকলেও ফরেন স্টুডেন্টস ডরমেটরির নির্মাণকাজ আগে শেষ করা হয়েছে, অথচ নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট এখনো কাটেনি।

আবাসন সংকটের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বেগম রোকেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রাজিয়া সুলতানা। তিনি বলেন, “হলটির অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সীমিত সুযোগের মধ্যেই যতটা সম্ভব শিক্ষার্থীদের আসন দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “কমনরুম, টিভি রুম ও পুরোনো রিডিং রুমকেও শিক্ষার্থীদের থাকার উপযোগী করে প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে এসব কক্ষে থাকার ক্ষেত্রে পড়াশোনার পরিবেশে সমস্যা হতে পারে—সিট দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানানো হয়েছে।”

প্রভোস্ট জানান, বর্তমানে টিভি রুমে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী একসঙ্গে থাকছেন। গণরুমে থাকা শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য কুয়েটের আবাসিক হলগুলোর মধ্যে একমাত্র রোকেয়া হলেই ৬০টি ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আবাসন সংকটের স্থায়ী সমাধানে নতুন হল নির্মাণের কথাও জানান তিনি। অধ্যাপক ড. রাজিয়া সুলতানা বলেন, নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মাণাধীন ১০ তলা নতুন আবাসিক হলটি আগামী বছরের জুন-জুলাইয়ের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। নতুন হলটি চালু হলে রোকেয়া হলের বর্তমান আসনসংকট অনেকটাই কমে আসবে বলে প্রত্যাশা তাঁর।

শিক্ষার্থীদের মতে, নতুন হল চালু না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান আবাসন ব্যবস্থার উন্নয়ন, পড়াশোনার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং হলের মৌলিক সুযোগ-সুবিধাগুলো কার্যকর করা জরুরি।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park