
ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা (এনপিএস) কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক শামীম আখতার মুকুল আবারও (২য়-বার) হার্ট এর সমস্যা ও বুকে ব্যাথা নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার নাভীর চারপাশে কার্ডিনেক্স-৬০ ইনজেকশন চলছে। ডাক্তাররা হাসপাতালের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষ করে বাহিরে হার্টের উন্নত চিকিৎসা বা ওপেন হার্ট অপারেশন করার পরামর্শ দিয়েছেন। গত ১৮ ডিসেম্বর ভোরবেলায় পৌর শহরের নিজ বাড়িতে হার্ট এট্যাকের শিকার হন তিনি।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর শাখার সভাপতি হিসেবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও নির্যাযিত, অসহায়, এতিম ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠী, মাদক, সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজ, দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে তার লিখনির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। এছাড়াও ব্যক্তিজীবনে খুব ছোট বেলা থেকে ক্রীড়াঙ্গন, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
সমাজসেবক ও বিভিন্ন মানবিক গুনে গুণান্বিত শামীম আখতার মুকুল এর অসুস্থতার কথা শুনে দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আশরাফ-উজ-জামান খান, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন, কেশবপুর উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিমল কুমার কুণ্ডু, ফকিরহাট উপজেলা শিক্ষা অফিসার শোভা রায়, কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ শহীদুল ইসলাম, কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, দৈনিক দেশবার্তা কেশবপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও মডার্ণ হাসপাতালের সত্ত্বাধিকারী রবিউল ইসলাম, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ও সাগরদাঁড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হাসান নাঈম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোস্তফা কামাল, সাগরদাঁড়ি মধুসূদন একাডেমির পরিচালক খন্দকার খসরু পারভেজ, প্যারামেডিকেল টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ)-এর চেয়ারম্যান একে আজাদ ইকতিয়ার, বেসরকারী সংস্থা ওয়ার্ডের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আকমাল আলী, শেকড়ের সন্ধানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মিজানুর রহমান মায়া, কেশবপুর প্রেসক্লাবের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ, কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের ফটো সাংবাদিক নুরুজ্জামান, কবি জাকারিয়া হোসেন, সাংবাদিক পরেশ দেবনাথ, সাংবাদিক সোহেল পারভেজ, সাংবাদিক আব্দুল খালেক, সাংবাদিক আবুবক্কার সিদ্দিক, সাংবাদিক সুশান্ত কুমার মল্লিক, কেশবপুরের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল খালেকসহ অসংখ্য সাংবাদিক, বন্ধুবান্ধব, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
তিনি জানিয়েছেন, আমার অসুস্থতার কথা শুনে যে মানুষগুলো মূল্যবান সময় নষ্ট করে হাসপাতালে দেখতে এসেছেন এবং অনেকেই দুর থেকে ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছেন আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং তাদের কাছে চিরঋণী। এছাড়াও নিজের সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, তিনি চলতি বছরের গত ১৮ ডিসেম্বর সকালে পৌর শহরের নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় বার হার্ট এট্যাকের শিকার হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে হার্ট এট্যাকের পর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে নিয়মিত ঔষধ সেবন করে আসছিলেন।