
ওয়াহিদ মুরাদ, স্টাফ রিপোর্টার
“তোমার আমার বাংলাদেশে, ভোট দিব মিলেমিশে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ৭ম জাতীয় ভোটার দিবস পালিত হয়েছে। ২ মার্চ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে ফিরে আসে।
র্যালি শেষে উপজেলা কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়রা পারভীন। তিনি বলেন, বৈধ ভোটাধিকার চর্চার মাধ্যমে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে গণতন্ত্র সুসংহত হবে। এ সময় তিনি ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী আবু তারেক সাইফুল কামাল, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ টি এম শাহ্ আলম, তথ্য কর্মকর্তা সাঈদা খাতুন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিপাশা দেবী তনু, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা খন্দকার জহিরুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মুনায়েম খান, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন, দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ওয়াহিদ মুরাদ, সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম হাসান, বাদশা গাজী প্রমুখ।
আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, ইতিহাসের আদিকাল থেকেই নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য ভোটের প্রচলন ছিল। কালের বিবর্তনে আধুনিক গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেছে, যেখানে ভোটাধিকার নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে এখনো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি, সেখানে জনগণের ভোটাধিকার নেই। আমরা সৌভাগ্যবান যে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আমাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ রয়েছে।
এছাড়াও, ১ জানুয়ারি ২০০৮ বা তার পূর্বে জন্মগ্রহণকারীরা ভোটার নিবন্ধনে অংশ নিতে পারবেন। চলমান ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের আওতায় উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নে ৩ ও ৪ মার্চ, আড়ংঘাটা ইউনিয়নে ৬ মার্চ, যোগীপোল ইউনিয়নে ৭ ও ৮ মার্চ এবং দিঘলিয়া ইউনিয়নে ৯, ১০ ও ১১ মার্চ ভোটার নিবন্ধন করা হবে। বাদ পড়া ভোটারদের জন্য ১২ মার্চ অতিরিক্ত সুযোগ রাখা হয়েছে।
বর্তমানে দিঘলিয়া উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১,৩২,৩১০ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৬,৪৭৮ জন এবং নারী ভোটার ৬৫,৮৩২ জন।