
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের জাকারিয়া দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসার মুহতামিম আহমাদ উল্লাহ দীর্ঘদিন যাবত মাদ্রাসার কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের ভয় ভীতি দেখিয়ে যৌন নিপীড়ন করে আসছে এমনই এক অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা গত ৮ সেপ্টেম্বর দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান মাসুম বিল্লাহ বরাবর সাক্ষাত করে যৌন নিপীড়নের বিষয়টি উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ করে।
ভুক্তভোগীরা ঐ অভিযোগের জানান, জাকারিয়া দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসার ছাত্ররা মাদ্রাসার বর্তমান মুহতামিম মুফতি আহমাদুল্লাহ মুহতামিম হওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানের উপর বাহ্যিক ক্ষমতা প্রয়োগ, সাধারন ছাত্র-শিক্ষকদের বাক রোধ করে বোডিং এর সম্পদ এবং মালামাল আত্মসাত করে আসছে এবং মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে নিজ কক্ষে নিয়ে বলৎকার করার মতো নিকৃষ্ট কাজে লিপ্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে দিঘলিয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান মাসুম বিল্লাহ কে ফোন করলে তিনি অসুস্থ থাকায় তার সহকারি কমিশনার দিবাংশবিশ্বাস ফোনটি ধরেন। তিনি বলেন স্যার চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আছেন তিনি না আসা পর্যন্ত বিষয়টা বলতে পারবেন না। মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতী আহমাদ উল্লাহর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বিষয়টা আজকের না দুই তিন বছর আগ থেকেই একটি মহল আমার পিছনে ষড়যন্ত্র করছে। এটি মিথ্যা। আমাকে আমার দায়িত্ব থেকে সরাতে একটি মহল সুকৌশলে চক্রান্ত করছে।