1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

গোপালগঞ্জে ন্যায্য মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও মাংস বিক্রির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫
  • ১১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ:

পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও গরুর মাংসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। জেলা সদরের কালেক্টর বাজারে সরকার নির্ধারিত সুলভ মূল্যে এসব পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

জেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানবিক গোপালগঞ্জ ও মফস্বল মানবাধিকার সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন তানভীর হাসান সৈকত ও আরমান খান জয়।

সরকার নির্ধারিত গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ৭০০ টাকা থাকলেও কালেক্টর বাজারে দেশি ষাঁড়ের মাংস ৬৬০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। একজন ক্রেতা সর্বনিম্ন ১০০ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ৫ কেজি পর্যন্ত নিতে পারবেন। যেখানে স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি মাংসের দাম ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, সেখানে কম দামে মাংস কিনতে পেরে সন্তুষ্ট ক্রেতারা।

এছাড়া, বাজারের তুলনায় কম দামে মৌসুমী ফল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিদিন ভোর থেকে গরু জবাই ও প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়। শুধু গোপালগঞ্জ সদর নয়, আশপাশের উপজেলা থেকেও মানুষ ভিড় করছেন এই বাজারে।

মাংস কিনতে আসা ব্যবসায়ী সেলিম কাজী, চাকরিজীবী রেশমা খানম, গৃহিণী আঁখি বেগম, সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের ইংরেজি বিভাগের সাবেক সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা এবং গণমাধ্যমকর্মী কে এম সাইফুর রহমান জানান, তারা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও হালালভাবে জবাই করা দেশি এড়ে গরুর মাংস কিনতে পেরে সন্তুষ্ট।

এ বাজার থেকে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে অন্ধ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রতিদিন বিনামূল্যে মৌসুমী ফল বিতরণ করা হচ্ছে।

গোপালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম. রকিবুল হাসান বলেন, অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণে গরুর মাংস সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। তাই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যে মাংস, মৌসুমী ফল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা রমজানের পরেও চালু থাকবে।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকবে এবং অসাধু ব্যবসায়ীরা সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রিতে বাধ্য হবে।

প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত মাংস বিক্রি এবং সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিক্রির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

রমজান উপলক্ষে কালেক্টর বাজারে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রতিদিন রোজাদারদের জন্য বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ কার্যক্রমও চালু রয়েছে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park