1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

গোপালগঞ্জে রোজা উপলক্ষে ফলের বাজারে আগুন

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫
  • ২৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি ফলের চাহিদাও বেড়ে যায়, বিশেষত ইফতারির আয়োজনের জন্য। তবে এবার গোপালগঞ্জে রোজার শুরুতেই ফলের দাম যে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তা সচেতন ক্রেতাদের মধ্যে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

২ মার্চ, রবিবার, গোপালগঞ্জের ফল বাজারে গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বললে দেখা গেছে, ফলের দাম গত বছরের তুলনায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়ে গেছে। বাজারে প্রাপ্ত ফলগুলোর মধ্যে ডালিম ৩৫০-৪০০ টাকা, আঙুর ৩২০-৩৫০ টাকা, ড্রাগন ৫৫০ টাকা, কালো আঙুর ৪২০-৪৫০ টাকা, মাল্টা ২৮০-৩০০ টাকা, বেল ১৫০-২০০ টাকা, পেয়ারা ৬০-৮০ টাকা, কলা ২০-৫০ টাকা, তরমুজ ৩০০-৬০০ টাকা, আপেল ২৫০-৩৫০ টাকা, নাশপাতি ৩২০ টাকা, সফেদা ১৮০ টাকা, আনারস ৫০ টাকা, কমলা ২৮০ টাকা এবং চায়না কমলা ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে তাদের পক্ষে ফল কিনে ইফতার আয়োজন করা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মোঃ শাহাবুদ্দিন সুজা নামের এক ক্রেতা বলেন, “বৃদ্ধ মা রোজা রাখেন, কিন্তু ফলের দাম এমনভাবে বেড়ে গেছে যে, পরিবারকে ফল কিনে খাওয়ানোর মতো টাকাও আমার কাছে নেই।”

এদিকে, বিক্রেতারা জানান, ফলের দাম বৃদ্ধি মূলত আড়ৎদারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তাদের হাতেই দাম কমানো বা বাড়ানোর ক্ষমতা রয়েছে। মতি মোল্লা নামের এক বিক্রেতা বলেন, “আমরা ছোট ব্যবসায়ী, আমাদের কিছু করার নেই, আড়ৎদাররা দাম বাড়ায় এবং কমায়।”

বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে সাধারণত রমজানে নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা কমে, তবে বাংলাদেশে তা উল্টো দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। রমজান উপলক্ষে ফল ব্যবসায়ীরাও দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ক্রেতারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন, যাতে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং জনগণের দুর্ভোগ কমানো সম্ভব হয়।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park