
মোঃ শহিদুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান’-এর শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা বলেছেন, “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়েও তা রক্ষা করা কঠিন। শহীদদের আত্মত্যাগের আলোতেই গড়ে উঠবে নতুন বাংলাদেশ।”
রোববার (৩ আগস্ট) দুপুর ২টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম। প্রধান অতিথি ছিলেন সদ্য যোগদানকৃত চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. একরাম হোসাইন, চমেক থোরাসিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাকির হোসেন ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও পার্কভিউ হাসপাতালের এমডি ডা. রেজাউল করিম, ন্যাশনাল হাসপাতাল চট্টগ্রামের এমডি ডা. মো. ইউসুফ, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম চট্টগ্রামের সেক্রেটারি ডা. মো. ইরফান চৌধুরী, চমেক নিউরোলজি বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. মুবিন উল হক, চমেক থোরাসিক সার্জারি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. সাজ্জাদ হোসেন, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চট্টগ্রামের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রিজিয়া সুলতানা এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মনি কুমার শর্মা।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাগণ, জুনিয়র কনসালটেন্টবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্যরা, আহত আন্দোলনকারীরা, তাদের চিকিৎসায় যুক্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা পর্বে বিভাগীয় পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, “জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন ছিল গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জাগরণ। শহীদদের আত্মত্যাগ যুগে যুগে জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে। গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস প্রয়োজন।”
সভা শেষে ডা. মো. ইরফান চৌধুরীর সঞ্চালনায় শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল এক গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ, যা দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও গণতন্ত্র রক্ষায় নতুন উদ্দীপনার বার্তা দেয়।