1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

চাল নয় যেন প্রতারণা: ডুমুরিয়ার বাজারে নিম্নমানের চালে ক্ষুব্ধ ভোক্তা

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ মে, ২০২৫
  • ৮৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা):

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার হাটবাজারগুলোতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল ও মানহীন চাল। ‘মিনিকেট’, ‘নাজিরশাইল’, ‘রানী সালোট’, ‘বিআর ২৮’—নানান নামে বাজারে এই চাল পাওয়া গেলেও এসব চালের গুণগত মান নিয়ে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভাত রান্নার ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ঘ্রাণহীন ও স্বাদহীন ভাতে বিরক্ত হচ্ছেন ক্রেতারা।

ভোক্তাদের অভিযোগ, মিনিকেট চাল যতটা চিকন দেখায়, ভাতে তার প্রতিফলন তেমন নেই। বরং রান্নার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিজে ভিজে অবস্থা হয়। অনেকেই মনে করছেন, এখনকার মিনিকেট চাল আসলে ইরি জাতের চাল, যা কৃত্রিমভাবে পালিশ করে চিকন করা হয়েছে।

নাজিরশাইল চালের ক্ষেত্রেও দেখা দিয়েছে মানহীনতা। ক্রেতাদের মতে, আগে এই চালের ভাতে সাদা রঙ ও সুবাস থাকলেও এখন দেখা যাচ্ছে কালচে রঙ, নষ্ট হয়ে যাওয়ার প্রবণতা এবং অস্বস্তিকর গন্ধ।

বাজারজুড়ে পাওয়া এসব চালের উৎপত্তি ও মান নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিনিকেট নামে দেশে কোনও ধানের জাত নেই। এটি মূলত একটি ব্র্যান্ড, যা বাজারজাতকারীদের ব্যবসায়িক কৌশলের ফসল। কম দামের ইরি বা বোরো ধানকে মেশিনে পলিশ করে মিনিকেট নামে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে পুষ্টিগুণ যেমন হারাচ্ছে, তেমনি ভোক্তারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন।

সরকারি একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ‘মিনিকেট’ আসলে বাজারের জন্য তৈরি করা কৃত্রিম রূপ। ফাইন, মিডিয়াম ও হেভি পালিশের মাধ্যমে চালকে চকমকে করা হলেও ভেতরে থাকে পুষ্টিহীনতা ও নিম্নমান।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, বাজারের এই চাল-প্রতারণা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নীতিমালা প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park