1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গায় প্রায় ২ লাখ ৭২ হাজার গাছ আছে, সেই গাছের থেকে দুই হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খেজুর গুড়ের আশা করা যায়

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২২৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

এসএম রেদ্বোয়ান, চুয়াডাঙ্গা

শীতের মৌসুম পুরোদমে শুরু হয়নি এখনো। তারপরও আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য খেজুরের রস আহরণে গাছ প্রস্তুত করছেন শিউলিরা (গাছি)। চুয়াডাঙ্গা জেলায় শীতের আগমন উপলক্ষে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

জানা যায়, এ বছর জেলায় ২ লাখ ৭১ হাজার ৯৬০টি গাছ থেকে ২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন গুড় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। সুস্বাদু এ গুড় এলাকার চাহিদা মিটিয়ে সারাদেশে সরবরাহ করা হয়। প্রতিটি গাছ থেকে প্রায় ১০ কেজি গুড় পেয়ে থাকেন গাছিরা।

জেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে খেজুর রস সংগ্রহের জন্য গাছ প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিউলিরা। কিছুদিন পর গাছ থেকে রস সংগ্রহের পর্ব শুরু হবে। খেজুর রস ও গুড়ের জন্য এ জেলা বিখ্যাত।

জমির আলী নামের এক শিউলি বলেন, ‘খেজুর গাছ কাটা সহজ কাজ নয়। অনেক সময় গাছের ওপর থাকা অবস্থায় ভারসাম্য রক্ষা করাটাই কঠিন হয়ে যায়। শীতের শুরুতে রস সংগ্রহ করে পরিবারের জন্য কিছু সঞ্চয় করতে পারলে কষ্টটা সার্থক হয়।’

সদর উপজেলার মাকালডাঙ্গা গ্রামের মাসুদ হোসেন বলেন, গাছের ডালপালা পরিষ্কার ও চাঁছার কাজ হয়ে গেছে। বাপের পেশা এখনো ধরে রেখেছি। আমার ৮০টি গাছ ছিলার কাজ হয়েছে। তারপর ঘাট কেটে রাখা হবে। আমার জমির আইলে নিজের গাছ আছে ৪০টি। আরও ৪০টি গাছ বর্গা নিয়েছি। শীত মৌসুমে দাম ভালো থাকলে গাছ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকার মতো গুড় বিক্রি করতে পারবো।

মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের সেলিম রহমান বলেন, আমরা পেশাগত কারণে প্রায় প্রতি বছরই খেজুর গাছ চার মাসের জন্য বর্গা নিয়ে থাকি। গাছভেদে ২ কেজি করে গুড় ও ২৫০ টাকা দিতে হয় মালিকদের। এবারও প্রায় ১০০টি গাছের জন্য মালিকদের সঙ্গে চুক্তি করেছি। বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে না দিয়ে জীবন-জীবিকার জন্য ধরে রেখেছি।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, ‘এ বছর ৪টি উপজেলায় ২ লাখ ৭১ হাজার ৯৬০টি খেজুর গাছ আছে। এরমধ্যে সদরে ৯৮ হাজার ৫০০টি, আলমডাঙ্গায় ৪৫ হাজার ৪১০টি, দামুড়হুদায় ৯০ হাজার ২০০টি ও জীবননগরে ৩৭ হাজার ৮৫০টি আছে। এ বছর ২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টনের ওপরে গুড় উৎপাদন হতে পারে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park