
সাদিয়া জান্নাত কেয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিনের বিরুদ্ধে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ছাত্ররাজনীতিতে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শামসুল আরেফিন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী থাকাকালে পুরান ঢাকার একটি মেস থেকে শিবির সন্দেহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন বলে জানা যায়। সম্প্রতি শিবিরের একটি মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে জবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিনকে উপস্থিত অবস্থায় দেখা গেছে বলে দাবি করেছে কয়েকজন শিক্ষার্থী।
তারা জানান, ২০২৩ সালে আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাইদীর মৃত্যুর পর ঢাকার পিজি হাসপাতালে তাৎক্ষণিক শিবিরের মিছিলে আরেফিনের উপস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাবেক ছাত্রদল নেতা বলেন, “আমরা জামায়াতের সঙ্গে যৌথ আন্দোলন করছি, এটা ঠিক। কিন্তু শিবিরের আলাদা কর্মসূচিতে ছাত্রদলের একজন নেতা উপস্থিত থাকলে সেটি সন্দেহের চোখে দেখা স্বাভাবিক।”
অতীতে একই ধরনের অভিযোগের বিষয়ে শামসুল আরেফিন দাবি করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তিনি সবসময় বিএনপি ও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদি হাসান হিমেল বলেন, “আরেফিন গত ১৭ বছর ধরে ছাত্রদলের রাজপথের আন্দোলনে যুক্ত। তিনি পরীক্ষিত নেতা। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
এ বিষয়ে সদস্য সচিব শামসুল আরেফিনের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। একইভাবে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।