
দুমকী ও পবিপ্রবি, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
জাপানে অনুষ্ঠিত সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ৮ সদস্যের একটি গবেষক দল।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁরা গিফু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মশালায় অংশ নেন। দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন পবিপ্রবির জেনেটিক্স অ্যান্ড অ্যানিমেল ব্রিডিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শারমীন আক্তার। তিনি ২০১৯ সালে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
গবেষক দলের সদস্যরা গিফু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগার পরিদর্শন, অ্যানিমেল রিপ্রোডাক্টিভ টেকনোলজি বিষয়ে লেকচার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ, ল্যাব প্রাকটিস ও ফার্ম ভিজিট করেন। পাশাপাশি তাঁরা জাপানের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানও পরিদর্শন করেন।
এ সময় তাঁরা পবিপ্রবি ও গিফু বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা ও যৌথ গবেষণা প্রকল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পরে ১০ দিনের কর্মকাণ্ডের উপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন ও সার্টিফিকেট গ্রহণের মাধ্যমে প্রোগ্রামের সমাপ্তি হয়।
গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন—
জেনেটিক্স অ্যান্ড অ্যানিমেল ব্রিডিং বিভাগের এমএস শিক্ষার্থী কামাল উদ্দিন তুহিন ও তামজিদ হোসাইন,
অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিনের অনার্স শিক্ষার্থী মোঃ নাজমুস সাকিব তন্ময়, অর্ঘ্য সিনহা, মাইনুল হাসান জিসান, স্বর্ণা পাইন মৌমিতা ও হোমায়রা আফরিন মিম।
প্রোগ্রাম সম্পন্ন করে তাঁরা দেশে ফিরে পবিপ্রবির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম, প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এসএম হেমায়েত জাহান ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন এর সাথে দেখা করেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
ভাইস-চ্যান্সেলর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন,
“এই অভিজ্ঞতা পবিপ্রবির গবেষণা ও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সহায়ক হবে এবং ভবিষ্যতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আরও গভীর গবেষণা সহযোগিতার দ্বার উন্মোচন করবে।”
প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এসএম হেমায়েত জাহান ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ ইকতিয়ার উদ্দিন অংশগ্রহণকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন,
“বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অর্জন আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে এই ধরনের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হবে।”
ভাইস-চ্যান্সেলর, প্রো-ভিসি ও রেজিস্ট্রার আশা প্রকাশ করেন, গিফু বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আলোচনার ফলস্বরূপ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক বিনিময় আরও দৃঢ় হবে, যা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করবে।