
নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:
কক্সবাজারে জুলাই মাসে গণঅভ্যন্তরের মধ্যে ছাত্রদের উপর গুলি বর্ষণ ও বিভিন্ন হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে বাড়ি ছাড়া করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ নুরুল হুদা (প্রকাশ গুরামিয়া) এর বিরুদ্ধে।
কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন গুরামিয়া, যিনি এখন পর্যন্ত একাধিক ব্যবসায়ীকে মারধরের হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করেছেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি চাঁদা না দিলে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীদের ওপর আক্রমণ চালান।
স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, ৫ আগস্টের আগে গুরামিয়া কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত পি.এস. হিসেবে সুগন্ধা পয়েন্টে ঘুরে বেড়াতেন এবং ব্যবসায়ীদেরকে চাঁদা আদায়ের জন্য চাপ দিতেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিকরা যখন মোঃ নুরুল হুদা (প্রকাশ গুরামিয়া) এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন, তখন তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি কোন সাড়া দেননি।
তবে, ৫ আগস্টের পরও তিনি চাঁদাবাজির ব্যবসা বন্ধ করেননি, বরং তিনি বিএনপির মিছিল ও মিটিং-এ যোগ দিতে দেখা গেছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, যদি গুরামিয়া ও তার মতো অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করা হয়, তবে কক্সবাজারের পর্যটন এবং শিল্পাঞ্চল এলাকায় ঝুঁকি বাড়তে পারে।
তারা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলছেন, গুরামিয়া সহ অন্যান্য স্বৈরাচারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।