
বিশেষ প্রতিনিধি
বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ট্যুরিজম ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিডিএবি)। রাজধানীর ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় এ প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা হয়।
সভায় ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাইনুল হাসান (বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি)-এর সঙ্গে টিডিএবি চেয়ারম্যান আসলাম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মতবিনিময় করেন। আলোচনায় পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা) মো. রুহুল আমিন (বিপিএম), অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন (ঢাকা–সিলেট–ময়মনসিংহ বিভাগ ও অতিরিক্ত দায়িত্বে খুলনা–বরিশাল বিভাগ) এবং অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা (পিপিএম–বার, চট্টগ্রাম বিভাগ)।
টিডিএবি চেয়ারম্যান আসলাম খান বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প শুধু অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে না, বরং দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করবে। নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান মাইনুল হাসান জানান, দেশি–বিদেশি পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “ট্যুরিস্ট পুলিশ ও টিডিএবি’র যৌথ উদ্যোগ পর্যটনশিল্পকে শক্তিশালী করতে এক নতুন মাইলফলক।”
বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ২৫–৩০ লাখ পর্যটক গ্রহণ করে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি–বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ, আধুনিক অবকাঠামো, পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক প্রচারণা জোরদার করা গেলে এই সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেতে পারে। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে দেশের পর্যটন খাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।