1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

ডুমুরিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে পেয়ারা চাষ করে লাখপতি ইমন খান

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের পঞ্চুর গ্রামের তরুণ কৃষক ইমন খান বাণিজ্যিকভাবে উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করে হয়েছেন লাখপতি। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে তিনি পেয়ারা চাষকে লাভজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ইমন খান জানান, প্রায় দুই লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৫ বিঘা জমিতে ১ হাজার ৫০টি উন্নত জাতের পেয়ারা গাছ লাগিয়েছেন। এই মৌসুমেই তিনি প্রায় ১০ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রির আশা করছেন। তাঁর বাগানে লাগানো জাতের গাছে সারা বছরই ফল আসে, এবং প্রতিটি পেয়ারা আধা কেজি থেকে এক কেজি পর্যন্ত ওজনের হয়। একটি গাছ টানা সাত বছর ফল দেয়, আর প্রতি কেজি পেয়ারা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা দরে।

ইমনের সাফল্য দেখে আশপাশের অনেক চাষি পেয়ারা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। পঞ্চুর গ্রামের আরিফুল ইসলাম ও শলুয়া গ্রামের পূর্ণেন্দু বিশ্বাস কয়েক বছর ধরে পেয়ারা আবাদ করছেন। এখন ডুমুরিয়ার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে মাঠে দেখা যাচ্ছে পেয়ারা বাগান। অনেক বেকার যুবকও এই চাষে যুক্ত হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন জানান, চলতি বছর ডুমুরিয়া উপজেলায় ২৫ হেক্টর জমিতে পেয়ারা আবাদ হয়েছে। সাধারণ ফসলের তুলনায় পেয়ারা আবাদে তিনগুণ বেশি লাভ পাওয়া যায়। খুলনা হর্টিকালচার সেন্টার থেকে সংগৃহীত চারা রোপণের ৯ মাস পরই ফল আসে, এবং প্রতিটি গাছে ১০০–১৫০টি পেয়ারা ধরে।

তিনি আরও বলেন, “বর্ষাকালে ফল পচন ও পোকার আক্রমণ রোধে পলিথিন মোড়ানোসহ সুষম সার প্রয়োগ করতে হয়। উন্নত জাতের গাছে কমপক্ষে সাত বছর পর্যন্ত ফল ধরে, তাই এটি দীর্ঘমেয়াদি আয়ের উৎস।”

খুলনা কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “পেয়ারা এখন একটি লাভজনক অর্থকরী ফসল। এক বিঘা জমিতে প্রায় ৪০০টি গাছ লাগানো যায়। প্রতিটি গাছ বছরে প্রায় ২০ কেজি ফল দেয়। এক মণ পেয়ারা বর্তমানে বাজারে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১,৪০০ টাকা দরে। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে কৃষকরা বছরে উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জন করতে পারেন।”

তিনি জানান, কৃষি বিভাগ পেয়ারাচাষিদের বিষমুক্ত উৎপাদন ও সাথি ফসলের চাষ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যাতে তারা আরও টেকসই ও লাভজনক কৃষি মডেলে এগিয়ে যেতে পারেন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park