1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

দিঘলিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার মোড়লের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত প্রতিবেদন পাঁচ মাসেও আলোর মুখ দেখেনি

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫
  • ২৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

এস.এম. শামীম, দিঘলিয়া

খুলনার দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হায়দার আলী মোড়লের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ গ্রহণ, সরকারি জমি বিক্রি ও অর্থ আত্মসাতের একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠলেও দীর্ঘ পাঁচ মাসেও প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। এতে স্থানীয় জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার মোড়ল সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জমির পজিশন তিনশত টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে বিক্রি করে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমির অধিগ্রহণ, টিআর-কাবিখা, গভীর নলকূপ, হাট-বাজার উন্নয়ন, এলজিএসপি ও কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বিশেষ করে সাবেক সেনা সদস্য মোঃ খসরুল ইসলামের অভিযোগে উঠে এসেছে, তার আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমি রেজিস্ট্রির সময় চেয়ারম্যান হায়দার মোড়ল ব্যাংকের ব্ল্যাঙ্ক চেক জোর করে আদায় করেন এবং পরবর্তীতে তার নামে জারি হওয়া ৫০ লাখ টাকার চেক থেকে ১৫ লাখের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে টাকার জন্য চাপ দিলে হায়দার মোড়ল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও ভয়ভীতি দেখান।

এছাড়া ৫০-৬০ বছরের পুরনো দিঘলিয়ার মাছের বাজার ও চান্দিতে অবস্থিত মাংসের দোকানসমূহ সরকারি খাস জমির ওপর স্থাপিত থাকলেও, সেগুলোর পজিশন ব্যক্তিমালিকদের কাছে বিক্রি করে দেন চেয়ারম্যান। এমনকি পথেরবাজার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ০.২৭ একর সরকারি জমি ৭ জন ব্যক্তি মালিকানায় দানপত্র দলিল করে দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

হায়দার মোড়লের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় প্রকাশিত সংবাদ ও দাখিল করা অভিযোগের ভিত্তিতে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল ইসলাম তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তবে পাঁচ মাস পার হলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। এতে স্থানীয়রা মনে করছেন, প্রভাবশালী এই ইউপি চেয়ারম্যান প্রশাসনের একাংশকে ‘ম্যানেজ’ করে আবারও স্বপদে বহাল

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park