1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

দিঘলিয়ায় মামলা চলমান জমিতে নির্মাণকাজ, সাংবাদিকদের প্রশ্নে বাসুদেব ঘোষের সাফ জবাব: “এখন কথা বলার সময় নেই”

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫
  • ১৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

দিঘলিয়া প্রতিনিধি, এস.এম. শামীম:

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দিঘলিয়া গ্রামে মামলা চলমান জমিতে ব্যক্তিগত মন্দির নির্মাণ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। দেব প্রসাদ চক্রবর্তীর পুত্র গোলক চক্রবর্তী গংয়ের মালিকানা দাবি করা ০.২৫ একর জমিতে মৃত মানিক চন্দ্র ঘোষের পুত্র বাসুদেব ঘোষ, নিখিল চন্দ্র ঘোষ ও বিষ্ণুপদ ঘোষ নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

জমিটি নিয়ে ইতোমধ্যে একাধিক দেওয়ানি মামলা চলমান থাকলেও ওই পক্ষের উদ্যোগে জোরপূর্বক নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানতে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. বাসুদেব ঘোষ সাফ জানিয়ে দেন, “আমার এখন কথা বলার মতো সময় নেই।”

সূত্রে জানা গেছে, উক্ত জমি নিয়ে খুলনা সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানি ৫০০/২১ নম্বর মামলা এবং পরে জেলা জজ আদালতে সিভিল রিভিশন ৪৭/২৩ নম্বর মামলা চলমান রয়েছে। আদালতে মামলা চলাকালীন অবস্থায়ও প্রতিপক্ষের ওপর প্রভাব খাটিয়ে উক্ত জমিতে স্থাপনা তৈরির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বাসুদেব ঘোষ, নিখিল চন্দ্র ঘোষ ও বিষ্ণুপদ ঘোষ।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারের পূর্বতন একটি বরাদ্দও তারা নিজেদের পক্ষে টেনে এনেছেন, যদিও পরবর্তীতে জায়গাটি মামলা-মোকদ্দমা চলমান ও বিতর্কিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর সেই বরাদ্দ বাতিল করে দেয়।

এদিকে, নির্মাণকাজ বন্ধ করতে গোলক চক্রবর্তী খুলনা জেলা প্রশাসক, দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং দিঘলিয়া থানায় লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন (তারিখঃ ১৫ ও ১৬ জুলাই ২০২৫)। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে—এমন বেআইনি নির্মাণ দখলদারি ও অস্থিরতা পরিস্থিতি রোধে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

জমিটির ইতিহাস অনুসারে, পূর্বতন মালিক বাদল মোড়ল মৃত্যুবরণ করলে মো. আলতাফ হোসেন দিং ওয়ারিশ সূত্রে সম্পত্তি অর্জন করেন। ১৯৭৫ সালের ২৫ এপ্রিল জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ৯৫৪৪/৭৫ নম্বর সেটেলমেন্ট দলিলের মাধ্যমে তাকে রেজিস্ট্রি করে দেন।

পরবর্তীকালে বিআরএস রেকর্ডে ভুলক্রমে বিবাদীদের নামে নাম উঠে গেলে, আলতাফ হোসেন দিং ৩৩০৬ নং আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গোলক চক্রবর্তীকে ক্ষমতা প্রদান করেন, যিনি বর্তমানে বিআরএস সংশোধন ও জমির স্বত্ব ফেরত পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

মামলার বিষয়বস্তু অনুযায়ী, জমিটি খুলনা জেলার দিঘলিয়া ও দৌলতপুর থানাধীন, সিএস খতিয়ান ১৩৬১, এসএ খতিয়ান ১৩১৭ অনুযায়ী, ৮৪৩ ও ৮৪৭ নম্বর দাগে মোট ০.২৫ একর জমি।

এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন ও আদালত এই বিবাদমান জমিতে জবরদখল ও বেআইনি নির্মাণ কাজের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয়। এলাকাবাসী দ্রুত প্রতিকার ও আইনানুগ হস্তক্ষেপের প্রত্যাশা করছেন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park