1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

দুদকের ২ মামলা : শতকোটি টাকার মালিক পলিটেকনিক ইনস্ট্রাকটর হুমায়ুন!

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইনস্ট্রাক্টর হুমায়ুন কবীর, তার স্ত্রী বেবী আলিয়া হাসনাত এবং তার বাবা কাঠমিস্ত্রি মো. আলী হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুটি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলাগুলিতে তাদের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদ গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

৫ মার্চ, ২০২৫, দুদকের ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে উপসহকারী পরিচালক মো. শাহাদত হোসেন বাদী হয়ে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেন। দুদক সূত্র জানায়, প্রথম মামলায় হুমায়ুন কবীর, তার স্ত্রী বেবী আলিয়া হাসনাত এবং তার বাবা আলী হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ১৭ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ এবং সাড়ে ১৬ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলায় বেবী আলিয়া হাসনাত, তার স্বামী মো. হুমায়ুন কবীর এবং তার শ্বশুর মো. আলী হোসেনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৫০ লাখ ৬৬ হাজার ৩৪৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ৪ কোটি ৪৬ লাখ ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুন কবীর ও তার স্ত্রীর নামে ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও ঢাকা এলাকায় ৫১৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ জমি রয়েছে। এ জমির বাজার মূল্য ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, হুমায়ুন কবীর এই জমিগুলি তার স্ত্রী ও বাবার নামে কিনে পরে নিজের নামে স্থানান্তর করেছেন, যা সম্পদ রূপান্তরের কৌশল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

হুমায়ুন কবীরের নামে স্কাবো মেডিকেল টেকনোলজি (প্রাইভেট) লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানেও ১ হাজার ৩৫০টি শেয়ার রয়েছে, যা তাদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে বলে দুদকের তদন্তে প্রমাণ মিলেছে।

হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, তার সমস্ত সম্পদ বৈধ এবং এর উৎসও স্পষ্ট। তিনি বলেন, “আমার যা সম্পদ তার হিসাব আমি দুদকে জমা দিয়েছি। সব সম্পদ বৈধ এবং আমার বিরুদ্ধে কোনো অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ নেই।”

তবে দুদক কর্মকর্তারা জানান, তদন্ত চলছে এবং এর ফলাফল অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park