
দুমকি উপজেলা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
দুমকি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে দখলে রাখা প্রায় ৪০ শতাংশ জমি অবশেষে মূল মালিকের হাতে ফিরেছে।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে লুথারান হাসপাতাল রোডে, সেকান্দার আলী খানের মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা জমি ভোগ দখলে যান। তারা সেখানে একটি টিনশেড ঘর তৈরি করেন এবং বাকি তিনটি প্লটে কাঠের বেড়া ও সাইনবোর্ড সাটিয়ে জমির দখল সম্পূর্ণ করেন।
এর আগে, সেকান্দার আলী খানের ওয়ারিশরা একাধিকবার জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আবুল কালাম আজাদকে বলেছিলেন, কিন্তু তিনি তা অগ্রাহ্য করেন। এরপর, প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করা হলে, তার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
আবুল কালাম আজাদ, যিনি দুমকি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, তার ক্ষমতার দাপটে দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি দখলে রেখেছিলেন। তবে এখন মূল মালিকরা জমি দখলে নিয়ে আসেন। এদিকে, জমি দখলের পর, মৃত্যু কাচেম আলী মৃধার সন্তানরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে এবং প্রাণনাশেরও হুমকি দিচ্ছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদ তার পিতার কাছেম আলী মৃধার কাছ থেকে ১৯৪৮ সালে পটুয়াখালী সাব রেজিস্ট্রার অফিসে কবলা দলিল করেন। এস এ খতিয়ান নং ৫১৫, সৃজিত খতিয়ান নং ১০১২, দাগ নং ১৩৩০, ১৫৫৭, ১৫৫৯, ১৫৭২ এই জমির পরিমাণ ৪০ শতক ছিল।
এ বিষয়ে বারবার ফোন করার পরও আবুল কালাম আজাদ ফোন রিসিভ করেননি এবং মামলার ভয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি সম্প্রতি বিএনপি অফিস ভাংচুরের মামলার আসামি হিসেবে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।