1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

দুর্নীতির মহারাজ্যে পরিণত কিশোরগঞ্জের মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদ

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

নিউজ ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ৪নং মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নয়, বরং ভোগান্তিই যেন এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সেবার নির্ধারিত সরকারি ফি উপেক্ষা করে এখানে চলছে খোলা অবৈধ অর্থ আদায়।

সরকারের নিয়ম অনুযায়ী জন্ম বা মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, ৪৫ দিন পর থেকে ৫ বছর পর্যন্ত ২৫ টাকা, এবং ৫ বছর পর ৫০ টাকা ফি নির্ধারিত। কিন্তু সরেজমিনে দেখা গেছে—ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতিটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য ১৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সচেতনতার অভাবের সুযোগ নিয়ে বছরের পর বছর ধরে এভাবে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্টরা।

বিষয়টি জানতে তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পরও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলীকে অফিসে পাওয়া যায়নি। সকাল ৯টায় অফিস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিকেল ২টা পর্যন্ত চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। প্যানেল চেয়ারম্যান জানান, “চেয়ারম্যান সাহেব তার স্ত্রীকে নিয়ে মেডিকেলে গেছেন।”

পরে ফোনে যোগাযোগ করলে চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী বলেন, “আমার ইউনিয়নে হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর উপজেলা কার্যালয়ের অধীনে। আমি শুধু জন্ম নিবন্ধনে স্বাক্ষর করি, ফি আদায়ে আমার কোনো ভূমিকা নেই।”

অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আয়েশা আক্তার বলেন, “ভুল ত্রুটি সবার মধ্যেই থাকে। এটি আমাদের ভুল, আমরা তা মেনে নিচ্ছি। ভবিষ্যতে আধুনিক ও স্বচ্ছ সেবা প্রদানে কাজ করব।”

সবশেষে বিষয়টি নিয়ে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, “এ অভিযোগ আমার নজরে এসেছে। আমি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছি। ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে প্রশ্ন থেকে যায়—সরকারি সেবার নামে জনগণ কি এভাবেই হয়রানির শিকার হতে থাকবে? আমাদের অনুসন্ধানী টিম জনগণের পাশে রয়েছে। আপনার এলাকাতেও যদি এমন দুর্নীতি বা অনিয়ম ঘটে, আমাদের জানাতে পারেন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park