
মনির খান, স্টাফ রিপোর্টার:
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা খেয়াঘাট ব্রীজ সংলগ্ন রিভারভিউ কমপ্লেক্সে অবস্থিত অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী অধিকার পরিষদ বাংলাদেশ-এর নড়াইল জেলা শাখার শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা শনিবার (৯ আগস্ট) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী অধিকার পরিষদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মেজর এস এম হারুনার রশিদ (অবঃ)। বিশেষ অতিথি ছিলেন লোহাগড়ার কৃতি সন্তান মেজর আলহাজ্ব কাজী মঞ্জুরুল ইসলাম প্রিন্স (অবঃ)।
প্রধান অতিথি মেজর এস এম হারুনার রশিদ (অবঃ) বলেন, “সেনাবাহিনীতে সুশৃঙ্খলভাবে দীর্ঘদিন চাকরি সম্পন্ন করার পর আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করা প্রয়োজন। আমি সর্বোচ্চ পর্যায়ে আপনারা যে দাবিগুলো তুলেছেন তা বাস্তবায়নে চেষ্টা করব।”

বিশেষ অতিথি মেজর কাজী মঞ্জুরুল ইসলাম প্রিন্স (অবঃ) তার বক্তব্যে জানান, “অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী অধিকার পরিষদের সকল সদস্যের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে আমি সর্বদা পাশে আছি। পাশাপাশি লোহাগড়া উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমি সকল অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে একত্রিত হয়ে সংগঠনের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাই।”
তিনি আরও বলেন, “এই পরিষদ সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে দল-মত নির্বিশেষে সকল সদস্য একসাথে কাজ করবেন এবং পরস্পরের পাশে থেকে চলবেন।”
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সার্জেন্ট এস এম ফরিদুজ্জামান (অবঃ), এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার নওশের আলম (অবঃ)।
অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম মাসুদুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশক সম্পাদক সার্জেন্ট মোঃ মনির খান (অবঃ) সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
ঢাকা থেকে আগত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার সারোয়ার হোসেন (অবঃ), যিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, লান্স কর্পোরাল মনজুরুল আলম (অবঃ), সাধারণ সম্পাদক, ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ সরোয়ার হোসেন (অবঃ), অর্থ উপদেষ্টা, সার্জেন্ট তাইজাল হক (অবঃ), প্রতিষ্ঠাতা, এবং সার্জেন্ট বিএম গোলজার রহমান (অবঃ), কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা।
কেন্দ্রীয় ও জেলা শাখার নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, নতুন অফিস উদ্বোধনের মাধ্যমে সদস্যদের সেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্য বৃদ্ধি পাবে।অনুষ্ঠান শেষে অতিথি ও সদস্যদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।