
নিজস্ব প্রতিবেদক,
২১ মার্চ ২০২৫: নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার নড়াগাতী গ্রামে চাঁদা না দেওয়ার কারণে একটি বসত বাড়ি ভাংচুর ও ফলজ গাছ কর্তনের ঘটনা ঘটেছে, যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় লক্ষাধিক টাকা। ঘটনাটি ঘটে গতকাল, ২১ মার্চ শুক্রবার, দুপুর ২টায়।
এ ঘটনায় নড়াগাতী গ্রামের মৃত ইলাক ফকিরের ছেলে নিয়ামত ফকির (৪৬) ও তার সহযোগীরা তাণ্ডব চালায়। তারা একই গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেটি অফিসার শরিফুল ইসলামের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। ঘরের রান্না করার চুলা ভাংচুরসহ ফলজ এবং বনজ গাছ কর্তন করে।
এদের মধ্যে ছিল: ১. নিয়ামত ফকির (৪৬), পিতা: মৃত ইলাক ফকির, ২. নিসাদ ফকির (২২), পিতা: নিয়ামত ফকির, ৩. তুরাফ ফকির (৬৫), পিতা: মৃত ফজর ফকির, ৪. সুহাগ ফকির (৩৪), পিতা: তুরাফ ফকির, ৫. রয়েল ফকির (৩৬), পিতা: তুরাফ ফকির। এছাড়াও, আরো ৫-৭ জন লোক এ ঘটনায় জড়িত ছিল।
পেটি অফিসার শরিফুল ইসলাম বলেন, “এই গুন্ডা, চাঁদাবাজ ও লুটেরা গোষ্ঠী আমার থেকে এর আগে ৪০,০০০ টাকা চাঁদা নিয়ে গেছে। গত ৫ মার্চ থেকে তারা আমাকে ২০,০০০ টাকা চাঁদা দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। টাকা না দিলে তারা আমার বাড়ি লুট করবে, জমি দখল করবে এবং আমার ছোট ভাই ও মা-কে খুন করবে বলে হুমকি দিয়েছে। আমি একজন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেটি অফিসার, তাই আমার মা ও ছোট ভাইয়ের জীবন নিয়ে আমি চরম আতঙ্কিত।”
২২ মার্চ সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে জানায়, ঐ গ্রামের মৃত ফজর ফকিরের ছেলে আবুল কালাম (তুরাপ) বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত, আর তার সহযোগী নিয়ামত ফকির নিরীহ গ্রামবাসীদের ওপর বর্বরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ঘটনায় ক্ষতির শিকার পেটি অফিসার শরিফুল ইসলাম আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন।