
স্টাফ রিপোর্টার আরাফাত সিকদার কক্সবাজার।
চট্টগ্রাম ১৫ আসনের (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) সাবেক সংসদ সদস্য আবু রেজা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন নদভী,কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদের মধ্যে নদভীর স্ত্রী,শ্যালক,লোহাগাড়া থানার সাবেক ২ ওসি এবং স্থানীয় যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতাও রয়েছেন। দুদক সূত্রে জানা যায়,সাবেক এমপি নদভী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়াসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার,ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুর সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাই দুদক।অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে বিষয়টি অনুসন্ধান করতে দুদক চট্টগ্রাম -১ কার্যালয়কে নির্দেশ দেয় কমিশন।
এদিকে কমিশনের নির্দেশ পাওয়ার পর গতকাল রোববার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় -১ থেকে অভিযুক্তদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক মোঃ ইমরান হোসেনকে টিম লিডার,সহকারী পরিচালক সাহেদ আলম ও উপ-সহকারী পরিচালক আপেল মাহমুদ বিপ্লবকে সদস্য করা হয়।
জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় এর উপ পরিচালক মোঃ সুবেল আহমেদ বলেন,সাবেক এমপি আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভীসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কমিশনের নির্দেশে অনুসন্ধানের জন্য একটি টিম গঠন করা হয়েছে।
যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছেঃআবু রেজা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন নদভী,তার স্ত্রী রিজিয়া রেজা চৌধুরী,শ্যালক রুহুল্লাহ চোধুরী,কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া,কাজল ক্লান্তি শীল,তার স্ত্রী শীপ্রা রানী শীল,লোহাগারা উপজেলার সাবেক শিক্ষা অফিসার আবু নছর মুহাম্মাদ হাচ্ছান,লোহাগাড়া উপজেলার শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক ।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের লোহাগাড়া উপজেলা সাবেক সভাপতি এইচ এম গনি সম্রাট,এস এম আবদুল জাব্বার,তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার,ডা.আরমান রুমেল ও তার স্ত্রী কহিনুর আকতার, কলাউজান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ , সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান মিজান,মেহম্মাদ সেলিম প্রকাশ সেলিম,লোহাগাড়া যুবলীগের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন,মজিবুর রহমান দুলু,জহিরুল ইসলাম,নজরুল ইসলাম,মোহাম্মাদ ছরোয়ার,লোহাগাড়া থানার সাবেক ওসি মোহাম্মাদ শাহজাহান,সাবেক ওসি মোহম্মদ রাশেদুল ফৌজুল কবির।
তাদের মধ্যে অন্যতম সদস্য মুজিবুর রহমান দুলুর। বিরুদ্ধে নানার অভিযোগে।কলাউজান ডাঃ ইয়াকুব রহমান সিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি পদে বারবার দায়িত্বে থাকার কারণে অবৈধভাবে সম্পদের পাহাড় অর্জন করেন মুজিবুর রহমান দুলু বিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট কমিটির দায়িত্বে থাকার বিদ্যালয় থেকে লুটপাট করেন ৫ হইতে ৬ কোটি টাকা নাই কোন হিসাব, জুলাইয়ের গণঅভ্যন্তরে ছাত্রদের তুমুল আন্দোলনে একটি সুন্দর পরিবেশ উপহার পাই বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ তার মধ্যে মুজিবুর রহমান দুলু ৫ই আগস্ট এরপরে আত্মগোপনে চলে গেলেও দিতে পারেনি কোন ম্যানেজমেন্টকে হিসাব।
দীর্ঘ ১৬ টি বছর লোহাগাড়া থানা মুজিবুর রহমান দুলু দখলে থাকার কারণে নিরীহ মানুষদের কে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। এই বিষয় নিয়ে একটি অনুসন্ধান টিম। এলাকায় অনুসন্ধানে গেলে বেরিয়ে আসে তার বিরুদ্ধে চাঞ্চলক তথ্য। স্থানীয় সূত্রে জানতে পারি বিগত ১৬টি বছর মুজিবুর রহমানের সন্ত্রাস বাহিনী দিয়ে মানুষকে দিন দুপুরে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টায় অভিযোগ রয়েছে। মানুষের কাছ থেকে অবৈধভাবে জায়গা জমিন দখল করে বিভিন্ন নিরীহ মানুষদেরকে বাড়িঘর ছাড়া করেন। মুজিবুর রহমান দুলুর সন্ত্রাস বাহিনী।
কিন্তু ৫ ই আগস্ট সরকার পরিবর্তন হলো পরিবর্তন হয়নি নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের মুজিবুর রহমান দুলুর অপকর্ম ও কার্যকলাপ তার বিরুদ্ধে লোহাগাড়া থানায় বিস্ফোরক ও মামলা ও হত্যা মামলার দায়ী হলো এখনো পর্যন্ত ধরা ছোঁয়ার বাহিরে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা মুজিবুর রহমান দুলু।