1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

নাটোরে ড্যাব নেতা চিকিৎসক খুন: খুনি বোরকা পরে খাটের নিচে লুকিয়েছিল, প্রতিশোধে গলা কেটে হত্যা

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

মো. মনজুরুল ইসলাম, নাটোর:

নাটোরে আলোচিত চিকিৎসক ও ড্যাব নেতা ডা. এএইচএম আমিরুল ইসলাম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হাসপাতালেরই এক স্টাফ আসাদুল ইসলাম আসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জনসেবা ক্লিনিকে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, আসাদ জনসেবা ক্লিনিকে তিন বছর ধরে ডা. আমিরুলের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কর্মস্থলে এক নারী স্ট্যাফকে কেন্দ্র করে ডা. আমিরুল, ওই নারী ও আসাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। গত ২৫ আগস্ট এই বিষয় নিয়ে ডা. আমিরুল আসাদ ও ওই নারীকে মারধর করেন এবং চাকরি থেকে বরখাস্ত করেন। এতে আসাদের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ও প্রতিশোধস্পৃহা জন্ম নেয়।

প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আসাদ বগুড়া থেকে একটি বোরকা ও দুটি ছুরি কিনে নাটোরে ফেরত আসেন। ৩১ আগস্ট সন্ধ্যায় তিনি বোরকা পরে ক্লিনিকে প্রবেশ করেন এবং ডা. আমিরুলের চেম্বারের খাটের নিচে লুকিয়ে থাকেন। রাত ১টার দিকে ডা. আমিরুল কক্ষে প্রবেশ করে ওষুধ সেবন শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে গভীর ঘুমে থাকা অবস্থায় আসাদ তার গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যা করেন। পরে সকাল সোয়া ৬টার দিকে তিনি ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে যান। যাওয়ার পথে বোরকাটি সিংড়া আইসিটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এলাকার নদীতে এবং দুটি ছুরি নন্দীগ্রাম এলাকায় ফেলে দেন।

পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন বলেন, “ঘটনার পর থেকেই তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা বিশ্লেষণের মাধ্যমে তদন্ত শুরু হয়। সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মূল আসামি আসাদকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ও ক্ষোভ থেকেই তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। আদালতে স্বীকারোক্তি দিতেও তিনি সম্মত হয়েছেন।”

প্রসঙ্গত, গত সোমবার সকালে নাটোরের জনসেবা ক্লিনিক থেকে ডা. এএইচএম আমিরুল ইসলামের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ক্লিনিকটির মালিক ও স্থানীয়ভাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park