
মোঃ হাচিবুর রহমান,নড়াইল
বাগেরহাটের ফকিরহাটে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ সুরাইয়া শারমিন দৃষ্টি হত্যার অভিযোগে জড়িত ৩ আসামিকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আটক করেছে পুলিশ।
এক টুকরো কাগজের সুত্র ধরে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে বলে জানিয়েছে ফকিরহাট মডেল থানার ওসি এস এম আলমগীর কবির।
গৃহবধূ সুরাইয়া শারমিন দৃষ্টি হত্যার প্রধান আসামীসহ তিনজনকে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন নড়াইল জেলার গৃহবধূ দৃষ্টির পরকিয়া প্রেমিক সাইদুর রহমান,ফকিরহাট জয়পুর এলাকার মাহিন্দ্রা চালক আজিজুর রহমান নয়ন ও মাহিন্দ্রা চালক শহিদুর রহমান (৪৫)।
বুধবার বিকেল ৫টায় প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য নিশ্চিত করেন ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আলমগীর কবীর।
তিনি জানান, নড়াইল জেলা সদর উপজেলার আলাদাতপুর এলাকার মৃত আব্দুল করিম মোল্লার মেয়ে নিহত সুরাইয়া শারমিন দৃষ্টির সাথে গ্রেফতারকৃত আসামী সাইদুর রহমনের দীর্ঘদিন যাবৎ পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। গত ৩১ জানুয়ারি দৃষ্টি তার পূর্বের স্বামীকে ছেড়ে সাইদুর রহমানকে বিয়ে করার জন্য বান্ধবীর স্বামী মাহিন্দ্রা চালক আজিজুর রহমান নয়নের বাড়ী বাগেরহাটের ফকিরহাটে আসেন। একই সময় প্রেমিক সাইদুর রহমানও একই স্থানে আসেন।
ওইদিন রাত ১১টার দিকে ওই বাড়িতেই সুরাইয়া শারমিন দৃষ্টিকে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করেন সাইদুর রহমান নিজেই। পরে আজিজুর রহমান নয়ন ও অপর এক সহযোগি মাহিন্দ্রা চালক শহিদুর রহমান তিনজন মিলে পার্শ্ববর্তী জয়পুরের সাবেক ইউপি সদস্য সলেমান শেখের বাড়ির পুকুরে ইট বেঁধে মরদেহ ফেলে দেয়।
উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার (৪ ফেব্রয়ারি) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার নলধা-মৌভোগ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য সলেমান শেখের পুুকুর থেকে শরীরে ইট বাঁধা ও গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় সুরাইয়া শারমিন দৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ।