1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার বড়দিয়া বাজারে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন ইউএনওর, ১৬ ব্যবসায়ীকে সহায়তা ও জিওব্যাগ ফেলার নির্দেশ

ভবদহের নদীগুলো ভরাট, টিআরএম প্রকল্প চালু করে নাব্য ফিরিয়ে আনার দাবি

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া

খুলনার ফুলতলা ও ডুমুরিয়া উপজেলার মধ্যবর্তী ভবদহ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দিয়েছে। ১৯৮৮ সাল থেকে এ জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ ধারণ করেছে। স্থানীয় কৃষকেরা জানান, এ সমস্যা মূলত ভবদহের ভাটিতে থাকা নদীগুলোর নাব্য হারানোর কারণে সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত টিআরএম প্রকল্প কার্যকর করার মাধ্যমে নদীগুলোর নাব্য পুনরায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

ভবদহ এলাকায় ১৯৬১ সালে পাকিস্তান আমলে ২১ ভেন্ট বিশিষ্ট সুইজগেট নির্মিত হয়েছিল। এটি সমুদ্রের লোনাপানি প্রতিরোধ ও কৃষিযোগ্য মিঠাপানি ধরে রাখার উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয়েছিল। আশির দশক পর্যন্ত সুইজগেট কার্যকর থাকলেও পরে নদীগুলোর মূল উৎসপ্রবাহ পদ্মা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সাগরবাহিত পলি নদী ও খালের তলদেশে জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বর্তমানে মুক্তেশ্বরী, টেকা, শ্রীহরি, আপারভদ্রা, হরিহর ও বুড়িভদ্রা নদীসহ সংযুক্ত খালগুলো ভরাট হয়ে ১৫–২০ ফুট গভীরতায় সীমিত হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেও অন্তত ২–৩ শত গ্রাম এলাকা পানিতে তলিয়ে যেতে পারে।

ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির সাবেক আহ্বায়ক রনজিত বাওয়ালী বলেন, “রাজনীতিক ও কিছু আমলাদের ষড়যন্ত্রের কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড এই জনপদকে স্থায়ী জলাবদ্ধতায় পরিণত করেছে। টিআরএম প্রকল্প ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।”

কমিটির উপদেষ্টা ইকবাল কবীর জাহিদ জানান, “২০১২ সালে সরকারি সিদ্ধান্তে টিআরএম প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা হয়েছিল। তবে স্থানীয় ঘের মালিক ও কিছু প্রভাবশালী বাধার কারণে প্রকল্প বাতিল হয়। ২০১৭ সালে পুনরায় প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও তা কার্যকর হয়নি। এখন নদীগুলো ভরাট হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেও ক্ষয়ক্ষতি হবে। টিআরএম প্রকল্প দ্রুত চালু করে নাব্য ফিরিয়ে আনাই একমাত্র সমাধান।”

স্থানীয়রা দাবি করছেন, সরকারি তদারকি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভবদহ অঞ্চলে নদীর নাব্য পুনরায় ফিরিয়ে আনা গেলে কৃষি ও জনজীবনের জন্য স্থায়ী সমাধান মিলবে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park