1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

মঠবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের নামে রাজনৈতিক মামলা দিয়ে হয়রানি

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

পিরোজপুর প্রতিনিধি 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক মামলায় সাংবাদিকদের আসামি করে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন মহলে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সম্প্রতি উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের করিম আকন বাজারে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় মিজানুর রহমান নামে এক বিএনপি কর্মী বাদী হয়ে ৪২ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় সাংবাদিক—দৈনিক আমাদের কণ্ঠ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি ও মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এজাজ উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ এবং ফারুক হোসেনকেও আসামি করা হয়। সাংবাদিকদের আসামি করায় বিএনপির একটি অংশ দুঃখ প্রকাশ করে।

কিন্তু এখানেই থেমে থাকেনি। গত ১৮ সেপ্টেম্বর মঠবাড়িয়া থানায় বিস্ফোরক আইনে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়। এতে বাদী হন উপজেলার ১০ নম্বর হলতা গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদ। মামলায় উল্লেখ করা হয় ২০২৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বিএনপির মিছিলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ মামলায় দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি ও মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল বুলেট এবং দৈনিক বর্তমান কথা ও আজকের সময়ের বার্তা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিনসহ ১০২ জন আওয়ামী লীগ কর্মী এবং আরও প্রায় ২০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

তবে এ মামলার স্বাক্ষীদের তালিকায় স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নাম থাকায় বিষয়টি আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। স্বাক্ষী হিসেবে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শামীম মিয়া মৃধা, সদস্য সচিব আবু বকর সিদ্দিক বাদল ও কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবীদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম মধুসহ মোট ২৮ জন। অথচ সাংবাদিকদের নামে পূর্বেও একাধিক মামলা হয়েছিল।

এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রুহুল আমিন দুলাল তার ফেসবুকে মামলার প্রতি অনীহা প্রকাশ করেন। কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক এ আর মামুন খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র নিন্দা জানিয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুনকে সরাসরি দায়ী করেন। তার অভিযোগ, স্থানীয় একটি চক্রের ইন্ধনে নির্দোষ সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষকে আসামি করা হচ্ছে এবং ওসি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এসব সুবিধা ভোগ করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একাধিক নেতা জানান, “ওসি আওয়ামী লীগের বড় নেতাদের গ্রেফতার না করে কালো টাকার বিনিময়ে তাদের রক্ষা করছেন। আর নিরপরাধ মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠাচ্ছেন।” এমনকি মামলার স্বাক্ষী হিসেবে নাম থাকা বিএনপি নেতারাও সাংবাদিকদের নাম দেখে অবাক হয়েছেন। তারা জানান, স্বাক্ষী হওয়ার বিষয়টি তাদের অজ্ঞাত ছিল এবং বাদীকে ফোন দিয়ে মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মঠবাড়িয়া থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমাকে নানা ধরনের চাপ ও হুমকি দেওয়া হয়। তাই বাধ্য হয়েই মামলা নিতে হয়েছে।”

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park