1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

মাছের জন্য ‘নিরাপদ আশ্রয়’, ডুমুরিয়ায় অভয়াশ্রমে উৎপাদন বেড়েছে তিন গুণ

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
  • ১৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় অভয়াশ্রম গড়ে তোলার ফলে স্থানীয় নদী ও বিলে মাছের উৎপাদন বেড়েছে তিন গুণেরও বেশি। সাত বছরে মির্জাপুর মরা নদী, বিল শিংগা ও বানিয়াখালী নদীতে মাছের সরবরাহ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি সম্ভব হয়েছে মৎস্য বিভাগের পরিকল্পিত উদ্যোগ এবং স্থানীয়দের সম্পৃক্ততায়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে ডুমুরিয়ার নদী ও খালে মাছের উৎপাদন ছিল ১৬০ মেট্রিক টন। ২০২৫ সালে এই পরিমাণ বেড়ে হয়েছে প্রায় ৬০০ মেট্রিক টন। স্থানীয় জেলেরা বলছেন, আগে যেখানে দিনশেষে ফিরতে হতো খালি হাতে, এখন সেখানে দেশি প্রজাতির ট্যাংরা, পুঁটি, শোলসহ নানা মাছ ধরা পড়ছে জালে।

ডুমুরিয়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান বলেন, “নিয়মিত অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ জাল অপসারণ, নেট-পাটা উচ্ছেদ, অভয়াশ্রম সংস্কার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজ চলছে। এর সুফল এখন দৃশ্যমান।”

সরেজমিনে মির্জাপুর মরা নদীতে গেলে দেখা যায়, কচুরিপানার নিচে লাফিয়ে উঠছে মাছ। জেলেরা জানালেন, ২-৩ মাস আগে অভয়াশ্রমটি পুনঃসংস্কার করার পর নদীটিতে মাছের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। এখন আশপাশের গ্রামের মানুষও মাছ ধরায় আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

তবে দেশের সব এলাকার চিত্র এক নয়। গবেষণা বলছে, পুঁটি, ট্যাংরাসহ অন্তত ৯১টি দেশি মাছ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। পরিবেশদূষণ, জলাশয় ভরাট, আগ্রাসী বিদেশি প্রজাতির মাছের আগমন ও অপরিকল্পিত মাছ ধরা এর জন্য দায়ী।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাছ থেকে আসে দেশের প্রাণিজ আমিষের ৬০ শতাংশের বেশি। এটি শুধু খাদ্য নিরাপত্তা নয়, গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

তাই ডুমুরিয়ার অভয়াশ্রম মডেল অনুসরণ করে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী, বিল, হাওর-বাঁওড়ে আরও অভয়াশ্রম গড়ে তোলার তাগিদ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। জনসম্পৃক্ততা, সচেতনতা ও সরকারি সহায়তা থাকলে দেশি মাছ রক্ষা করা সম্ভব বলেই মনে করেন তাঁরা।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park