
সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, পশ্চিমবঙ্গ:
আজ ৩ জানুয়ারি, সোমবার, এআইডিএসও-র ডাকে সারা বাংলা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘট পালিত হয়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদী ছাত্রদের ওপর হামলার বিরুদ্ধে এই ধর্মঘটের আয়োজন করা হয়।
অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কনভয়ের একটি গাড়ি আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর চালিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে গুরুতর আহত হন এক প্রতিবাদী ছাত্র। এই ঘটনার প্রতিবাদে পাঁশকুড়া বনমালী কলেজের গেটের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এআইডিএসও। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে টিএমসিপি ও এআইডিএসও-র মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে এআইডিএসও-র বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন।
এদিকে, মেদিনীপুর কলেজেও ছাত্র ধর্মঘট ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। এসএফআই সমর্থকেরা কলেজের মূল গেটের সামনে অবস্থান নেন। অভিযোগ, টিএমসিপি জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের নেতৃত্বে কিছু বহিরাগত ছাত্র জোর করে কলেজে ঢোকার চেষ্টা করে। গেট বন্ধ রাখা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে টিএমসিপির কর্মীরা কয়েকজন বিক্ষোভকারীক টেনে-হিঁচড়ে বের করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ঘটনার জেরে কলেজগুলোর পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কোথাও এসএফআই, আবার কোথাও এআইডিএসও-র ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়।
এই ছাত্র ধর্মঘট পশ্চিমবঙ্গের একাধিক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ প্রশাসন কড়া নজরদারি চালাচ্ছে।