1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার বড়দিয়া বাজারে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন ইউএনওর, ১৬ ব্যবসায়ীকে সহায়তা ও জিওব্যাগ ফেলার নির্দেশ

যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আশার আলো: গাজায় ৫৪ দম্পতির গণবিয়ে

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

দীর্ঘ দুই বছরের টানা সংঘাত, মৃত্যু ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকেও নতুন জীবনের আশায় যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) একসঙ্গে ৫৪ দম্পতির গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অবরুদ্ধ উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে মানবিক সংগঠন আল ফারেস আল শাহিমের উদ্যোগে এই আয়োজন হয়।

দক্ষিণ গাজার ধ্বংসস্তূপ ঘেঁষে ঐতিহ্যবাহী ফিলিস্তিনি পোশাকে নববধূ ইমান হাসান লাওয়া ও স্যুট পরিহিত হিকমাত লাওয়া আরও কয়েকজন নবদম্পতির সঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ২৭ বছর বয়সী হিকমাত বলেন, ‘সবকিছু সত্ত্বেও আমরা নতুন জীবন শুরু করছি। আল্লাহ চাইলে এ যুদ্ধের এখানেই ইতি ঘটবে।’

মানবিক সংকটের মধ্যেও এক টুকরো স্বস্তি

গাজার সাংস্কৃতিক পরম্পরায় বিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। কিন্তু ইসরাইলের অব্যাহত হামলার কারণে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিয়ে অনুষ্ঠান প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সাম্প্রতিক ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির পর খানিকটা স্বস্তি ফিরলেও আগের জমকালো আয়োজনে আর ফেরা সম্ভব হয়নি।

খান ইউনিসে নবদম্পতিদের অভিনন্দন জানাতে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়িয়েছিলেন স্থানীয়রা। তবে খাদ্য, পানি, ওষুধ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে উৎসবের আবহ বারবার ম্লান হয়ে যায়। উপত্যকার ২০ লাখ মানুষের বেশির ভাগই এখন বাস্তুচ্যুত; ইমান ও হিকমাতও যুদ্ধ চলাকালে দেইর আল-বালাহ এলাকায় পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জোগান পাওয়া ছিল কঠিন।

হিকমাত বলেন, ‘আমরা অন্য সবার মতো সুখী হতে চাই। একসময় স্বপ্ন ছিল একটা বাড়ি, একটা চাকরি আর স্বাভাবিক জীবন। এখন আমার স্বপ্ন শুধু মাথার ওপর একটি তাঁবু।’ তিনি আরও বলেন, ‘জীবন ফিরতে শুরু করেছে, কিন্তু প্রত্যাশার মতো নয়।’

“এত শোকের পর আনন্দ অনুভব করা কঠিন”

সাদা–লাল–সবুজ রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিহিত ইমান জানান, দীর্ঘ কষ্টের পর এই ছোট্ট অনুষ্ঠান কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও শোক ভুলে থাকা সম্ভব নয়। তিনি ইসরাইলের হামলায় বাবা-মাসহ বহু কাছের স্বজন হারিয়েছেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘এত শোকের পর আনন্দ অনুভব করা খুব কঠিন। আল্লাহ চাইলে আমরা আবার সবকিছু গড়ে তুলব।’ মানবিক সংস্থা আল ফারেস আল শাহিম নবদম্পতিদের জন্য আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীও দিয়েছে।

গাজার মানবিক বিপর্যয় অব্যাহত

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park