
মনির খান স্টাফরিপোর্টার।
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের শামুক খোলা গ্রামের সৈয়দ হাফিজুর রহমানের ছেলে সৈয়দ মাহমুদ হাসানের প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা দামের একটি প্রাইভেট কার গত ৭ জুন ২০২৫ তারিখ রাত ৩, ৩০ মিনিটের সময় উক্ত প্রাইভেটকারটি দুর্বৃত্তটা পুড়িয়ে দেয়।
সৈয়দ মাহমুদ হাসান তিনি ঢাকা সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল( ঢাকা সিএমএইচ ) এর মেডিসিন ঠিকাদার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এবং তিনি ঈদ করার জন্য বাড়িতে আসে।

শনিবার (৭ জুন) ঈদের দিন গভীর রাত, আনুমানিক রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে!স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাড়িটি শামুকখোলা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সৈয়দ কামরুল ইসলামের বাড়ির পাশে পার্কিং করে রাখা ছিল।
হঠাৎ করে গাড়িতে আগুন ধরার ঘটনাটি টের পেয়ে আসপাশের লোকজনদের ডাকাডাকি করে এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়, পরবর্তীতে লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিয়ে এনে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এরমধ্যে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছায় হয়ে যায়। ভুক্তভোগী মাহমুদ হাসান সাংবাদিকদের জানান, আগুন কীভাবে লাগল সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। ঘটনাটি নাশকতা কি না, এ নিয়ে তিনি গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নড়াইল সেনা ক্যাম্পের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।