1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

লোহাগড়ায় পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি কোয়ার্টার দখল ও অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে সেনাবাহিনী

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
  • ২৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার লোহাগড়া, নড়াইল

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে সরকারি কোয়ার্টার অবৈধভাবে দখল, নারী সহকর্মীর সঙ্গে বিতর্কিত অবস্থান, বেতন নিয়ে হয়রানি, অফিসে অনুপস্থিতি ও কর্তৃত্বজ্ঞানজনিত অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি বর্তমানে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু রিয়াদ।

সূত্র জানায়, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মিয়া ব্যাচেলর হয়েও বিগত চার বছর ধরে সরকারি একটি ফ্যামিলি কোয়ার্টারে অনুমতি ছাড়াই বসবাস করছেন। এতে সরকারের আনুমানিক ৭ লাখ ২০ হাজার টাকার ভাড়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ইউএনও আবু রিয়াদ বলেন, “কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী অনুমতি ছাড়া সরকারি আবাসন বা সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারেন না। কেউ যদি তা করে থাকেন, তবে পূর্বের সব বকেয়া ভাড়া পরিশোধ করতে হবে, অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই কোয়ার্টারের নিচতলায় কামরুজ্জামান মিয়া বসবাস করছেন নারী অফিস সহায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে পাশাপাশি দুটি ফ্ল্যাটে। সাবিনা ইয়াসমিনের অতীতেও একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও আচরণ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল, যা এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।

এদিকে পল্লী উন্নয়ন কার্যালয়ের দীর্ঘদিনের অফিস সহায়ক মোসা. রহিমা বেগম অভিযোগ করেন, “আমি ঈদের আগের দিন বারবার বলার পরও বকেয়া বেতন পাইনি। তিনি (কামরুজ্জামান মিয়া) কোনো কথা না বলেই অফিস ত্যাগ করেন। আমি ১৭ বছর চাকরি করছি, কিন্তু এই কর্মকর্তার অধীনে সবচেয়ে বেশি অবহেলার শিকার হয়েছি।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, “আমি একটি পরিত্যক্ত সরকারি ভবনের নিচতলায় অনুমতি ছাড়াই অস্থায়ীভাবে আছি। রহিমা বেগমের বেতন অফিস বরাদ্দ অনুযায়ী দেওয়া হয়, তবে এ বছর বরাদ্দ কম থাকায় কিছুটা দেরি হয়েছে।”

তবে তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে—অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতি, সহকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, দায়িত্বহীনতা, এবং নিজের একচ্ছত্র কর্তৃত্ব ফলিয়ে দাফতরিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বিষয়টির দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে বলেন, “সরকারি কর্মকর্তার এমন আচরণ সরকারি উন্নয়ন কাঠামোকে দুর্বল করে। এ বিষয়ে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম আরও বাড়বে।” তারা স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park