
মনির খান বিশেষ প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা মর্ডান আবাসিক হোটেলের একটি নির্জন কক্ষের একটি রুম ভাড়া নিয়ে লোহাগড়া পৌর ম্যারেজ রেজিস্টার কাজী আরিফ উদ্দিন বরকতীর বাল্য বিবাহ পড়ানোর গোপন আস্তানা !
শুধু কি তাই? না, আরো আছে-অফিস রুমের মধ্যে একটি খাট ও রয়েছে। এই খাটে কি তিনি ঘুমান? যদি ঘুমান তাহলে বালিশ কাথা লেপ কিছুই তো নাই! কিন্তু খাট কেন আছে বুঝবে শুধুমাত্র লিজেন্ড রা। ওই নির্জন কক্ষের ভিতরে বা বাহিরে,সামনের কোথাও কাজী অফিসের কোন ধরনের সাইনবোর্ড বা ব্যানার কোন টাই নাই। হোটেলের নির্জন কক্ষে যত ধরনের বাল্যবিবাহ সহ নানাবিদ অপকর্ম চলে কাজী আরিফ উদ্দিন বরকতীর।
সাধারণত: ম্যারেজ রেজিস্টার কোন ধরনের ডিগ্রিধারী না তাই তারা যত ধরনের মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অপকর্ম গুলো করে থাকেন।
গত ২৪/১/২৫ তারিখে কাজী আরিফ উদ্দিন বরকতী, লোহাগড়ার কলেজ পাড়া এলাকার একটি বাসায় বিবাহ পড়িয়েছেন! অথচ ওই ছেলের স্ত্রীও ৩টি ছেলে মেয়ে রয়েছে। মেয়েটির ও বড়বড় ছেলে মেয়ে রয়েছে। ওই ছেলে দ্বিতীয় বিবাহ করতে তার প্রথম স্ত্রীর কোন ধরনের অনুমতি নেননি,কাজী মোটা অংকের টাকা খেয়ে বিবাহ পড়িয়েছেন।
এবং বিবাহ ২ দিন না যেতেই তালাক দেওয়ার ও প্রস্তুতি চলছে, জনমনে প্রশ্ন এ কেমন বিবাহ হলো। যে আবার ছাড়াছাড়ি হচ্ছে! ছাড়াছাড়ি করতে ও কাজী মোটা অংকের টাকা নিবেন বলে ও উভয় পক্ষের সাথে কথা চলছে।
মোটা অংকের টাকা পেলেই কাজী বিয়ে পড়িয়ে দিচ্ছেন তাতে ছেলের বৌ, বাচ্চা থাকলেও সমস্যা নাই। কাজী আরিফ উদ্দিন বরকতীর নিকাহ লাইসেন্স প্রমাণ সাপেক্ষে বাতিল করার দাবি এলাকাবাসীর।