
স্টাফ রিপোর্টার
নড়াইলের লোহাগড়া পৌর এলাকার লক্ষ্মীপাশা গ্রামের চৌকিদার মন্টু মন্ডলের ছেলে লক্ষ্মীপাশা চৌরাস্তায় ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ড্রাইভার সুজন মন্ডল তার ২ টি স্ত্রী থাকাসত্ত্বেও তাল বাড়িয়া গ্রামের আশরাফের স্ত্রী সামিরা বেগমের সাথে পরকিয়া প্রেমে আসক্ত হয়। কিন্তু মাদক কারবারি আশরাফ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ পুলিশের কাছে আটক হয়ে কারাগারে গেলে সেটা কে পুঁজি করে সুজন মন্ডল আশরাফের স্ত্রী সামিরা বেগমের সাথে পরকিয়ার প্রেমের আলাপচারিতার মধ্যে দিয়ে তার স্বামী মাদক কারবারি আশরাফ কে জেল থেকে বের করার জন্য ৫০ হাজার টাকা নগদ প্রদান করেন বলে জানান।
এবং তাকে বিবাহ করবেন বলে মাদক কারবারি আশরাফ কে ডিভোর্স দিতে পরামর্শ দেন। এবং সামিরা বেগমের বোন ও দুলা ভাই এবং সুজন মন্ডল মিলে তার গর্ভের ৫/৬ মাসের বাচ্চা ডাক্তারের সহযোগীতায় নষ্ট করেছেন বলে ও জানান। সামিরা বেগম একটু অসুস্থ বোধ করলে তাকে ব্যাথার ট্যাবলেটের পরিবর্তে ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করিয়ে অচেতন করে হাতের কব্জির উপরে পুড়িয়ে সুজন নামটি লেখে। একপর্যায়ে সামিরা বেগমের ভাড়াটিয়া বাসা গোপিনাথপুর গ্রামের জিকুর বাড়ি থেকে তার বোন দুলাভাই ও সুজন মন্ডল মিলে সামিরা বেগমের বাসার মালা মাল সরিয়ে নিয়ে যায়। একটি বিশেষ সূত্রে জানা গেছে মোটরসাইকেল ড্রাইভার সুজন ও আশরাফ ২ জন মিলেই মূলত মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করে আসছে।
আশরাফ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ পুলিশের কাছে গ্ৰেফতার হয়ে কারাগারে থাকা অবস্থায় সুজন মন্ডল সামিরা বেগম কে বিভিন্ন প্রকার লোভ লালসা দেখিয়ে বিবাহ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। সামিরা বেগম আরো বলেন, এখন আমার স্বামী জেল থেকে জামিনে এসেছে, আমার হাতে সুজন নাম টি লেখা দেখে আমাকে তালাক দিবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে,এখন আমি কি করবো? আমার যে সর্বনাশ করেছে আমি তার নামে মামলা দিবো।
উক্ত বিষয় নিয়ে মোটরসাইকেল ড্রাইভার সুজন মন্ডলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দিয়েছে ওটা মিথ্যা, কিন্তু আমি ওই মহিলার সাথে ফোনে কথা বলিছি সত্য , কিন্তু টাকা পয়সা নেই নাই বা অন্য কোন অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত হয় নাই।