
মনির খান, স্টাফ রিপোর্টার:
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বোর্ড অফিসের সামনে সরকারি জমি থেকে প্রায় চার লাখ টাকার গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার আমানত খান এর বিরুদ্ধে।
৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, আমানত খান ও তার স্ত্রী মিলে বসুপটি গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী খায়ের এর কাছে ছোট-বড় মিলে ৮-১০টি গাছ বিক্রি করেছেন ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। যদিও ওই গাছগুলোর প্রকৃত মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকারও বেশি।
এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে ভুমি অফিসের লোকজন সরেজমিনে গিয়ে গাছ কাটার কার্যক্রম বন্ধ করেন। পরে গাছ বিক্রেতা ও ক্রেতাকে সতর্ক করে বলা হয়, “আপনাদের কাছে মালিকানা প্রমাণপত্র থাকলে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে উপস্থাপন করুন। সঠিক কাগজপত্র থাকলে গাছ কাটা ও বিক্রি করা আইনসঙ্গত হবে।”
উক্ত নালিশি জমি ৬৫ নং ধোপাদহ মৌজার, ২৪২২ দাগের মোট ২০ শতাংশ। দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি নিজেদের দাবি করে আসছেন। লক্ষ্মীপাশা এসি ল্যান্ড অফিসে খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, ৬৫ নং ধোপাদহ মৌজার ২৪২২ দাগের ২০ শতাংশ জমি সরকারি (ক) খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মিঠুন মৈত্র বলেন, “নায়েবের সঙ্গে কথা হয়েছে। অফিস থেকে সরেজমিনে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”