1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

সাবেক এমপি মিজানকে মামলায় ফাঁসানো তালুকদার আবদুল খালেক নিজেই এখন দুদকের জালে

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৭৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

 

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ফাঁসিয়েছিলেন একই দলের সভাপতি ও কেসিসির সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক। তখন থেকেই মিজান দলের কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তালুকদার আবদুল খালেক নিজেই দুদকের বড় ধরনের তদন্তের মুখে পড়েছেন।

দুদকের তদন্ত

তালুকদার আবদুল খালেকের বিরুদ্ধে কেসিসি মেয়র থাকাকালে বেনামি ঠিকাদারি কাজের মাধ্যমে বিশাল অংকের দুর্নীতি করার অভিযোগ উঠেছে। দুদক ইতোমধ্যে তার সহযোগী তিন ঠিকাদারের আর্থিক লেনদেনের হিসাব সংগ্রহ শুরু করেছে। এ বিষয়ে কেসিসিকে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।

মিজান কারাগারে

এদিকে, দুদকের মামলায় জামিনে থাকা মিজানুর রহমান মিজান বৃহস্পতিবার ঢাকার আদালতে হাজিরা দিতে গেলে তার জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। আগামী ৩০ জানুয়ারি এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে।

ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

খুলনার আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, মিজানুর রহমান মিজানের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার ষড়যন্ত্রের পেছনে মূল মস্তিষ্ক ছিলেন তালুকদার আবদুল খালেক। তারাই দাবি করছেন, মিজানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও তাকে দলীয় পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে খালেক তার নিজস্ব আধিপত্য বজায় রাখতে চেয়েছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিষয়ে নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তাদের পোস্ট ও মন্তব্যে উঠে আসছে, মিজানকে ফাঁসানোর ঘটনায় দলীয় ঐক্য নষ্ট হয়েছে এবং খুলনায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে।

তৃণমূলে আলোচনা

মিজানের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার জন্যই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন অনেকে। মিজানের প্রতি দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এখনো সহমর্মী। তারা মনে করেন, তালুকদার আবদুল খালেকের মুখোশ খুলে যাওয়ায় এই ষড়যন্ত্রের সত্যতা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park