
নিজস্ব প্রতিবেদক
সুন্দরবনে দস্যুতা দমনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ ও বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। গত দেড় বছরে ধারাবাহিক অভিযানে কুখ্যাত কয়েকটি ডাকাত বাহিনীর ৬১ সদস্যকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (৮ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ড সর্বদা সক্রিয় ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে নিয়মিত যৌথ অভিযানের পাশাপাশি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর সদস্যসহ মোট ৬১ জনকে আটক করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৮০টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি এবং ১ হাজার ৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ করা হয়েছে।
এ ছাড়া দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
সাব্বির আলম সুজন বলেন, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সুন্দরবননির্ভর জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী-খালে নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি ডাকাত বাহিনীর কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ব্রিফিংয়ে কোস্ট গার্ডের নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান (বিএন) উপস্থিত ছিলেন।
NGS/MMH