
মাসুদ সর্দার স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার রূপসা উপজেলার সেনের বাজার ঘাটে নৌকা ও ফেরির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রতিবাদকারী স্থানীয় জনগণ ও ঘাটের মাঝিরা যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ঘাট মাঝিদের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নিহত ও নিখোঁজদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
প্রতিবাদকারীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তামিম হাসান লিওন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দায়ী নৌযান চালকদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রাণহানির ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ নিতে হবে। নিহত ও নিখোঁজদের পরিবারকে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। এছাড়া ফেরি ও নৌকায় যাত্রী বহনে নির্দিষ্ট সীমা কঠোরভাবে মেনে চলা, যাত্রীবাহী ফেরি ও নৌকার জন্য পৃথক নৌচালনা নীতি বাস্তবায়ন, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ঘাটে নিয়মিত মনিটরিং চালু করা এবং ফেরিঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ও সংকেত ব্যবস্থা স্থাপনের দাবি জানানো হয়।
ঘাট মাঝিদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মোঃ আলমগীর মল্লিক। তিনি বলেন, “বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার পর আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছি যাত্রীদের উদ্ধার করতে। অনেকে গুজব ছড়াচ্ছে যে চার-পাঁচজন মারা গেছেন। বাস্তবে এখন পর্যন্ত একজন নিখোঁজ রয়েছেন—সাহা পাড়ার বাসিন্দা আকাশ নামের এক ব্যক্তি। অন্য সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, যাত্রীদের দাবির প্রেক্ষিতে মাঝিরা ভবিষ্যতে নিয়ম মেনে চলবেন। প্রতিটি ট্রলারে সর্বোচ্চ ২৫ জন যাত্রী ও ২টি মোটরসাইকেল বহন করা হবে। একই সঙ্গে তিনি যাত্রীদেরও অনুরোধ জানান নিয়ম ভঙ্গ করে কেউ যেন ট্রলারে না ওঠেন।