1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

হুজি শহীদ হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে কাউন্সিলর টিপু খুন

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

 

হুজি শহীদ হত্যার প্রতিশোধ নিতেই তার ভাতিজা শেখ শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু গুলি করে হত্যা করেন খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপুকে। এ হত্যাকাণ্ডে ঋতু নামের ২৪ বছর বয়সী এক নারীকেও ‘ফাঁদ’ হিসেবে ব্যহার করা হয়েছিল।

গত ৯ জানুয়ারি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে গোলাম রব্বানী টিপু হত্যার ঘটনায় মঙ্গলবার মৌলভীবাজার থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর খুনের কারণ হিসেবে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন খুলনার দেওয়ান মোল্লাপাড়ার মো. সেলিম আকন্দের মেয়ে ঋতু (২৪), একই এলাকার জামাল শেখের ছেলে শেখ শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু (২৭) ও মধ্য কারিগর পাড়ার মো. হায়দার সরদার অদুদের ছেলে গোলাম রসুল (২৫)।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘চরমপন্থী সংগঠন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি খুলনার নেতা ছিলেন হুজি শহীদ। ২০১৫ সালে যাকে হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কাউন্সিলর টিপু এবং এ হত্যা মামলায় চার আসামির মধ্যে আরও এক আসামিকে একইভাবে ২০২২ সালে হত্যা করা হয়। আর হুজি শহীদের ভাতিজা হলেন পুলিশের হাতে আটক শেখ শাহরিয়ার পাপ্পু। সেখান থেকেই শত্রুতা ও ক্ষোভ তৈরি হয়।

রহমত উল্লাহ আরও বলেন, স্থানীয় আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তারের বিষয়ও রয়েছে এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে। খুব কৌশলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এ হত্যাকাণ্ডের জন্য আসামিরা কক্সবাজারকে নিরাপদ স্থান মনে করেছেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, এই তিনজনই হত্যার সময় কক্সবাজার অবস্থান করেছেন। সঙ্গে থাকা নারী, কাউন্সিলর টিপুর গতিবিধি জানিয়েছেন খুনে জড়িত পাপ্পুকে। সহযোগী গোলাম রসুলসহ পাপ্পু উঠেছিলেন কক্সবাজার শহরের কক্স কুইন রিসোর্টে। খুনের পর তাঁর ব্যবহার করা অস্ত্রটি ওই রিসোর্টের ২০৮ নম্বর কক্ষের চিলেকোঠায় রেখে পালিয়ে যান। পরে অস্ত্রটি পুলিশ উদ্ধার করে।

অস্ত্রের যোগানদাতা কে বা কারা তাও তদন্ত করছে পুলিশ। এ ছাড়া এ ঘটনার পরপর আটক হয়ে কারাগারে থাকা খুলনার আরেক সাবেক কাউন্সিলর শেখ হাসান ইফতেখার চালুর কক্সবাজারে আসার কারণ ও কক্সবাজারে টিপুর বন্ধু মেজবাহ উদ্দিন ভুট্টোর বিষয়েও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

৯ জানুয়ারি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি গাল পয়েন্টে গুলি করে হত্যা করা হয় খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গোলাম রব্বানী টিপুকে। এর পর ১০ জানুয়ারি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন টিপুর ভগ্নিপতি মো. ইউনুস আলী শেখ।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park