1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

লোহাগড়ায় ভুয়া মোহরি পরিচয়ে জমি-সংক্রান্ত প্রতারণা: হাসুর বিরুদ্ধে 

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ২৫১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

মনির খান স্টাফ রিপোর্টার।

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের পার-শালনগর গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে সৈয়দ হাসমত আলী (হাসু) নামে এক ব্যক্তি লোহাগড়া সেটেলমেন্ট অফিসের মোহরি পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জমি-সংক্রান্ত বিষয়ে নানা ধরনের প্রতারণা করে আসছে। এ ঘটনায় জন সাধারণ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগী মনি মোহন বিশ্বাসের সাথে কথা বলে জানা যায়,এই প্রতারক হাসমত আলী হাসু মনি মোহন বিশ্বাসের জয়পুর মৌজায় ৫২ শতক জমি জোরপূর্বক স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে তার নিজের স্ত্রীসহ অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের নামে রেকর্ড করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ভোগদখল করছে।

তিনি আরও জানান, হাসু উপজেলার কমপক্ষে অর্ধশতাধিক মানুষের জমি-জমা সংক্রান্ত কাগজপত্র ঠিক করে দেয়ার নামে ৫ হাজার টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আত্মসাৎ করেছেন।

আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, হাসু নামজারি, দলিল সংশোধন, খতিয়ান পরিবর্তন এবং বিভিন্ন জমি জমা সংক্রান্ত কাগজপত্রের নামে মোটা অঙ্কের টাকা গ্রহণ করতেন। হাসুর দেওয়া বিভিন্ন পর্চায় দেখা গেছে, তিনি ইচ্ছামত কেস নাম্বার বসিয়ে ভুয়া পর্চা তৈরি করতেন এবং গ্রাহকদের হাতে তুলে দিতেন। গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর, হাসু কাজ শেষ না করে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন। এক সংখ্যালঘু ভুক্তভোগী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, হাসু আমার তিন একর জমি আত্মসাৎ করেছে। আমি এখন সর্বস্বান্ত। হাসু অবৈধ টাকা দিয়ে খুলনায় একটি চারতলা বাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর, ভুক্তভোগীরা স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। লোহাগড়া সেটেলমেন্ট অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, আমাদের অফিসে হাসু নামে কোনো মোহরি বা কর্মচারী নেই। যদি কেউ প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে, টাকা আত্মসাৎ করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অন্যদিকে, অভিযুক্ত হাসু তার বিরুদ্ধে আনীত সকল ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কখনোই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। এদিকে, স্থানীয় জনগণ প্রশাসনের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ ও প্রতারকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের প্রতারকের কাছে প্রতারণার শিকার না হন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park