1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

“ভূমি অফিসে জালিয়াতির চক্র – ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি দখলের অভিযোগ!”

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

মনির খান, স্টাফ রিপোর্টার।

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার জয়পুর গ্রামের একাধিক জমি জালিয়াতি ও জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে লোহাগড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব ইউনুসের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি নিজের পরিবারের নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে জমি দখল করেছেন।

ভুক্তভোগী মনিমোহন জানান, জয়পুর মৌজার ৫৫০ নম্বর খতিয়ানের ৩৪৩২ নম্বর দাগের ৫২ শতাংশ জমি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। সিএস ও এসএ রেকর্ডেও তার পূর্বপুরুষদের নাম রয়েছে। কিন্তু নায়েব ইউনুস তার স্ত্রী, মেয়ে, জামাই ও ছেলের নামে ভুয়া দলিল তৈরি করে জমিটি দখল করেন। উক্ত জমি নিয়ে নড়াইল জজ কোর্টে ৪৯/১২ নম্বর দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, শামুকখোলা মৌজার একটি জমির মিউটেশন করতে গিয়ে তিনি ৭ লাখ টাকার বিনিময়ে ৫ শতাংশ জমিকে ৯ শতাংশ দেখিয়ে মিউটেশন সম্পন্ন করেন। প্রকৃত মালিক আব্দুল মান্নান সরদারের দলিল (নং ১১৫৮/২০১০) থাকার পরও ভুয়া দলিল (নং ৬২/২৫, রেজিস্ট্রি তারিখ ০৩/০১/২০২৫) ব্যবহার করে জমির পরিমাণ বাড়িয়ে দেন।

এছাড়াও, নায়েব ইউনুস নোয়াগ্রাম ইউনিয়নে কর্মরত থাকাকালীন একাধিক জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শামুকখোলা মৌজার ৪৯৬ নম্বর আর এস খতিয়ানের মালিক রিপন খন্দকার জানান, পৈতৃক সম্পত্তির মিউটেশনের জন্য নায়েব ইউনুস ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন এবং তার ছেলে নয়ন আরও ৭ হাজার টাকা আদায় করেন। এক বছর পার হলেও মিউটেশন সম্পন্ন হয়নি।

মাধবাটি মৌজার শহীদ বিশ্বাসের ছেলে হাসিব বিশ্বাস অভিযোগ করেন, এক বছর আগে দাখিলা কাটানোর জন্য তিনি নায়েব ইউনুসকে ২৫ হাজার টাকা দেন, কিন্তু এখনো পর্যন্ত কাজ হয়নি। একাধিকবার তাগাদা দিলেও শুধু আশ্বাসই পেয়েছেন।

সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেন, ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে তার কাছে গেলে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। ঘুষ না দিলে হয়রানির শিকার হতে হয়। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে লোহাগড়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নায়েব ইউনুসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park