1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

‘জেলেনস্কির ক্ষমা চাওয়া উচিত’ — মার্কো রুবিও

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫
  • ৮৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন নিউইয়র্ক

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এ ঘটনার জেরে একপর্যায়ে জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউস ত্যাগ করতে বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রুবিওর কড়া প্রতিক্রিয়া:

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১ মার্চ (শনিবার) সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, “আজকের বৈঠক ছিল এক কথায় বিপর্যয়। জেলেনস্কির উচিত ক্ষমা চাওয়া। ওখানে গিয়ে তার প্রতিপক্ষ হওয়ার কোনো দরকার ছিল না।”

তিনি আরও বলেন, “আপনি যখন আক্রমণাত্মকভাবে কথা বলা শুরু করবেন এবং প্রেসিডেন্ট একজন চুক্তিকারী হিসেবে কাজ করবেন, তখন চুক্তির টেবিলে কাউকে আনতে পারবেন না।”

শান্তিচুক্তি চান না জেলেনস্কি?

মার্কো রুবিওর মতে, জেলেনস্কি হয়তো শান্তিচুক্তি চান না। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে বিপুল পরিমাণে সহায়তা দিয়েছে, কিন্তু জেলেনস্কি সেই সম্পর্ককে গুরুত্ব না দিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন।”

ট্রাম্পের নীতি ও ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ:

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধের জন্য ট্রাম্প সরাসরি জেলেনস্কিকে দায়ী করেন। বাইডেন প্রশাসনের সময় ইউক্রেন শত শত কোটি ডলারের অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা পেয়েছে, কিন্তু ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে আসার পর থেকেই কিয়েভের জন্য পরিস্থিতি বদলে যায়।

গতকালের বৈঠক ঘিরে বিশ্বজুড়ে নজর ছিল, তবে সেটি চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে শেষ হয়। এখন প্রশ্ন হলো, এই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়?

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park