1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার বড়দিয়া বাজারে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন ইউএনওর, ১৬ ব্যবসায়ীকে সহায়তা ও জিওব্যাগ ফেলার নির্দেশ

স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার পর আত্মহত্যা: গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ঘটনা

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ৪৮৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমির আলীর ছেলে শাহিন শেখ (২৩) স্ত্রীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় ৬ মাস জেল খাটার পর জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

শাহিনের মা খুসিয়ারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে ও পাটগাতি গ্রামের শপন মুন্সীর মেয়ে মীমের মধ্যে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। মীমকে তার মা-বাবার কাছে ফেরত পাঠানোর অনেক চেষ্টা করলেও সে যেতে রাজি হয়নি। পরে পুলিশ এসে মীমকে নিয়ে যায়।

তবে ৩ দিন পর মীম পুনরায় শাহিনের বাড়িতে ফিরে আসে। এরপর আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত থেকে তাদের বিবাহ রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করা হয়। প্রায় তিন মাস সংসার করার পর হঠাৎ মীমের মা নিপা বেগম মেয়েকে নিয়ে যান এবং কয়েক দিন পর গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে শাহিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

খুসিয়ারা বেগম বলেন, “মামলায় শাহিনকে জেল দেয়া হয় এবং টানা ৬ মাস জামিন না পেয়ে জেলে কাটাতে হয়। পরে আমি মীমের মা-বাবার সঙ্গে মামলা তুলে নেওয়ার অনুরোধ করলে তারা আইনজীবীর মাধ্যমে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। দর কষাকষির পর ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকায় মামলা তুলে নেওয়ার কথা হয়। আমি ওই টাকা আইনজীবী হাবিবুর রহমানের হাতে তুলে দিই, কিন্তু মামলা তোলা হয়নি।”

২০ দিন পর জামিনে মুক্ত হয়ে শাহিন বাড়ি ফিরে আসে। এর কিছুদিন পর মীম তাকে ফোন করে জানায়, “আমার মা তোমার সঙ্গে আমাকে থাকতে দেবে না, অন্য জায়গায় আমার বিয়ে ঠিক করেছে।” এই কথা শুনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া শাহিন আত্মহত্যা করে।

মৃত্যুর আগে একটি সাদা কাগজে লিখে যায়: “আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী মীম ও তার মা নিপা বেগম। তাদের জন্য আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলাম।”

খুসিয়ারা বেগম বলেন, “আমি গরিব মানুষ, কারও কাছে বিচার পাইনি। ছেলের মৃত্যুর তিন দিনের মাথায় মীমের আবার বিয়ে দেয় তার মা। যদি মীম অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়, তবে কীভাবে এত দ্রুত আবার বিয়ে হয়? জাতির কাছে আমার প্রশ্ন রইলো।”

তিনি আরও বলেন, “১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা দিয়েও আমার ছেলের জীবন বাঁচাতে পারলাম না। আমি চাই, এই ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক এবং মীম ও তার মায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে আর কোনো মা তার সন্তানকে এভাবে হারাতে না হয়।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park